National

বিদেশ থেকে আনা চকোলেট মুখে পুরতেই মৃত দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্র

কাজে বিদেশে গিয়েছিলেন বাবা। নিয়ে এসেছিলেন চকোলেট। সেই চকোলেট মুখে পুরতেই মৃত্যু হল তাঁর সন্তানের। যদিও চকোলেটে কোনও সমস্যা ছিলনা।

অস্ট্রেলিয়া থেকে ফেরার সময় ৪ সন্তানের জন্যই সেখান থেকে চকোলেট কিনে এসেছিলেন এক ব্যক্তি। পেশায় বৈদ্যুতিন দ্রব্যের ব্যবসায়ী ওই ব্যক্তি চকোলেট এনে সন্তানদের হাতে তুলে দেন।

চকোলেট পেয়ে সকলেই বেজায় খুশি। দ্বিতীয় শ্রেণিতে পাঠরত ৮ বছরের সন্দীপ ঠিক করে সে বাবার আনা চকোলেট স্কুলে নিয়ে গিয়ে খাবে। সেইমত স্কুলের ব্যাগে পুরে নেয় অস্ট্রেলিয়া থেকে আনা চকোলেট। তারপর স্কুলে ক্লাসের ফাঁকে সেটি মুখে পোরে।

চকোলেট মুখে দেওয়ার পরই আচমকা দমবন্ধ হয়ে আসে তার। শিক্ষক দেখেন সন্দীপ শ্বাস নেওয়ার চেষ্টা করছে কিন্তু পারছেনা। তিনি আর দেরি না করে সন্দীপ সিংকে হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করেন।

স্থানীয় একটি সরকারি হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকও ব্যবস্থা নেন। দেখা যায় চকোলেট সন্দীপের গলায় এমনভাবে আটকে গেছে যে শ্বাসনালীর মুখ বন্ধ হয়ে গেছে। চিকিৎসকেরা আপ্রাণ চেষ্টা করেন সেটি বার করার। কিন্তু তার আগেই সন্দীপের শ্বাস নিতে না পেরে মৃত্যু হয়।

ঘটনাটি ঘটেছে তেলেঙ্গানার ওয়ারাঙ্গল শহরে। রাজস্থানের কাঙ্গার সিং তাঁর স্ত্রী ও ৪ সন্তানকে নিয়ে কর্মসূত্রে বিগত ২০ বছর ধরে ওয়ারাঙ্গলের বাসিন্দা।

ভালবেসে কাঙ্গার সিংয়ের আনা চকোলেটই তাঁর কাছ থেকে কেড়ে নিল তাঁর সন্তানকে। এটা মেনে নিতে পারছেন না তিনি। শোকে পাথর হয়ে গেছে গোটা পরিবার। এমনকি প্রতিবেশি থেকে স্কুল কেউই মেনে নিতে পারছেন এই মৃত্যু। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা

Show More

News Desk

নীলকণ্ঠে যে খবর প্রতিদিন পরিবেশন করা হচ্ছে তা একটি সম্মিলিত কর্মযজ্ঞ। পাঠক পাঠিকার কাছে সঠিক ও তথ্যপূর্ণ খবর পৌঁছে দেওয়ার দায়বদ্ধতা থেকে নীলকণ্ঠের একাধিক বিভাগ প্রতিনিয়ত কাজ করে চলেছে। সাংবাদিকরা খবর সংগ্রহ করছেন। সেই খবর নিউজ ডেস্কে কর্মরতরা ভাষা দিয়ে সাজিয়ে দিচ্ছেন। খবরটিকে সুপাঠ্য করে তুলছেন তাঁরা। রাস্তায় ঘুরে স্পট থেকে ছবি তুলে আনছেন চিত্রগ্রাহকরা। সেই ছবি প্রাসঙ্গিক খবরের সঙ্গে ব্যবহার হচ্ছে। যা নিখুঁতভাবে পরিবেশিত হচ্ছে ফোটো এডিটিং বিভাগে কর্মরত ফোটো এডিটরদের পরিশ্রমের মধ্যে দিয়ে। নীলকণ্ঠ.in-এর খবর, আর্টিকেল ও ছবি সংস্থার প্রধান সম্পাদক কামাখ্যাপ্রসাদ লাহার দ্বারা নিখুঁত ভাবে যাচাই করবার পরই প্রকাশিত হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button