Kolkata

রাজ্যে ফের বাড়ল মৃত্যু, কলকাতায় ৩ লক্ষ পার সংক্রমণ

রাজ্যে একদিনে করোনা সংক্রমণ গত দিনের তুলনায় আরও কিছুটা কমল। অন্যদিকে দৈনিক মৃত্যু ফের গতদিনের তুলনায় বেড়েছে। কলকাতায় ৩ লক্ষ পার করল সংক্রমণ।

রাজ্যে প্রায় লকডাউন ঘোষণার সুফল পাওয়া যাচ্ছে। গত একদিনে রাজ্যে নতুন সংক্রমিত গত দিনের সাপেক্ষে সামান্য কমেছে। গত একদিনে সংক্রমিত হয়েছেন ৭ হাজার ৬৮২ জন। রাজ্যে মোট সংক্রমিতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৪ লক্ষ ১৯ হাজার ১৩০ জনে।

প্রসঙ্গত আগের দিন উত্তর ২৪ পরগনায় মোট সংক্রমণ ৩ লক্ষ পার করেছিল। এদিন কলকাতা ঢুকে পড়ল সেই ৩ লক্ষের ঘরে। রাজ্যের এই ২টি মাত্র জেলাই এখন সংক্রমণে ৩ লক্ষ পার করল।

এদিন নমুনা পরীক্ষা গত দিনের তুলনায় প্রায় দেড় হাজার বেড়েছে। এদিন নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৭২ হাজার ৬৭২টি। রাজ্যে এদিনও কমেছে অ্যাকটিভ রোগী। এদিন অ্যাকটিভ রোগীর সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে ৪৪ হাজার ৪৪১ জনে।

এদিন রাজ্যে দৈনিক মৃত্যু গত দিনের তুলনায় ফের বেড়েছে। বেশ কিছুদিন ধরেই রাজ্যে সংক্রমণ প্রতিদিন একটু একটু করে কমছে। কিন্তু মৃত্যু ১০০-র ওপরই ঘুরপাক খাচ্ছে। একটু কমছে তো ফের একটু বাড়ছে।


সংক্রমণ কমার মত মৃত্যুও ধারাবাহিকভাবে নিম্নমুখী নয়। যা অবশ্য চিন্তার। গত দিনের তুলনায় এদিন ৫ জন বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। এদিন মৃত্যু হয়েছে ১১৮ জনের। এদিনের মৃতের সংখ্যার হাত ধরে রাজ্যে এখন মোট মৃত্যু দাঁড়িয়েছে ১৬ হাজার ১৫২ জনে।

গত একদিনে রাজ্যে করোনায় যে ১১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে তার মধ্যে রাজ্যের অন্যতম ২ করোনা বিধ্বস্ত জেলা কলকাতা ও উত্তর ২৪ পরগনায় মৃতের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।

শুধু কলকাতায় একদিনে মৃত্যু হয়েছে ২৩ জনের। উত্তর ২৪ পরগনায় মৃত্যু হয়েছে ২৮ জনের। এছাড়া নদিয়ায় ১৩ জন, জলপাইগুড়িতে ১২ জন, দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ১১ জন ও হাওড়ায় ৬ জন মানুষের প্রাণ গেছে করোনায়।

৫ জন করে মারা গেছেন হুগলি ও পশ্চিম মেদিনীপুরে। ৪ জন মানুষের প্রাণ গেছে মুর্শিদাবাদে। পশ্চিম বর্ধমানে মারা গেছেন ৩ জন মানুষ। ২ জন করে মানুষের মৃত্যু হয়েছে দার্জিলিং ও পূর্ব বর্ধমানে। ১ জন করে প্রাণ হারিয়েছেন কালিম্পং, বীরভূম ও পূর্ব মেদিনীপুরে।

রাজ্যে একই সঙ্গে অনেক রোগী সুস্থ হয়ে ফিরছেন। গত একদিনে ১৬ হাজার ১৪৬ জন করোনা রোগী সুস্থ হয়ে উঠেছেন। যার হাত ধরে এদিন রাজ্যে করোনামুক্ত মানুষের মোট সংখ্যাটা দাঁড়িয়েছে ১৩ লক্ষ ৫৮ হাজার ৫৩৭ জন। সুস্থতার হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯৫.৭৩ শতাংশ। — রাজ্যসরকারের স্বাস্থ্য দফতরের দৈনিক বুলেটিন-এর সাহায্য নিয়ে লেখা

Show Full Article
Back to top button