National

তরুণীর রূপের টানে পাতা ফাঁদে পা দিয়ে গোপন কথা ফাঁস বাঙালি জওয়ানের

২ তরুণীর পাতা জালে পা দিয়ে দিলেন এক ২৪ বছরের বাঙালি তরুণ। যিনি সেনাবাহিনীতে নিযুক্ত ছিলেন। সেনার তথ্য ওই তরুণীদের জানিয়ে দেন তিনি।

জয়পুরে বসে নজর রাখা হচ্ছিল ভারত-পাক সীমান্তে ভারতীয় জওয়ানদের কার্যকলাপের ওপর। আর সেখানেই প্রথম নজরে আসে বিষয়টি। ভারতীয় সেনায় ২০১৮ সালে চাকরি পাওয়া বাঙালি শান্তিময় রাণা সোশ্যাল মাধ্যমে কিছু তথ্য শেয়ার করছেন ২ তরুণীর সঙ্গে। যে তথ্য শেয়ার করা হচ্ছে তা তাঁর রেজিমেন্টের গোপন তথ্য।

সেইসঙ্গে তিনি যেখানে পোস্টেড সেখানকার ছবিও পাঠাচ্ছিলেন ভারতীয় জওয়ান শান্তিময়। সময় নষ্ট না করে দ্রুত তাঁকে হেফাজতে নেওয়া হয়।

জানা যাচ্ছে, শান্তিময়ের সঙ্গে ২ তরুণীর সখ্যতা গড়ে ওঠে তিনি সেনায় যোগ দেওয়ার পর। এক তরুণী জানিয়েছিল তাঁর নাম গুরনুর কউর ওরফে অঙ্কিতা। উত্তরপ্রদেশের শাহজাহানপুরে সেনার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে কর্মরত।

অন্য এক তরুণী নিজের পরিচয় দেন নিশা নামে। জানান তিনি সেনার নার্সিং পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত। ২ তরুণীর সৌন্দর্যের জালে মোহিত হয়ে যান শান্তিময়। তাঁরাও ক্রমশ শান্তিময়কে তাঁদের রূপে আকর্ষিত করতে থাকেন।

সেনা জানতে পারে এঁরা আদপে পাকিস্তানের এজেন্ট। পাক গোয়েন্দা সংস্থার হানিট্র্যাপ-এর অংশ। এঁরা পরে সেনার গোপন নথি তাঁদের সঙ্গে শেয়ার করার জন্য শান্তিময় রাণাকে বোঝান। এটাও জানান এটা করতে পারলে তিনি মোটা অঙ্কের টাকা পাবেন। একদিকে ২ তরুণীর টান ও অর্থের লোভ কোনওটাই সম্বরণ করতে পারেননি শান্তিময়।

পুরো বিষয়টি জানার পর শান্তিময়কে হেফাজতে নিয়েছে সেনা। তাঁকে গ্রেফতার করে তাঁর কাছ থেকে পুরো বিষয়টি জানার চেষ্টা করছেন আধিকারিকরা। প্রসঙ্গত পাকিস্তানের হানিট্র্যাপের শিকার এর আগেও ভারতীয় সেনার জওয়ান থেকে পদস্থ আধিকারিকরা হয়েছেন। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা

Show More

News Desk

নীলকণ্ঠে যে খবর প্রতিদিন পরিবেশন করা হচ্ছে তা একটি সম্মিলিত কর্মযজ্ঞ। পাঠক পাঠিকার কাছে সঠিক ও তথ্যপূর্ণ খবর পৌঁছে দেওয়ার দায়বদ্ধতা থেকে নীলকণ্ঠের একাধিক বিভাগ প্রতিনিয়ত কাজ করে চলেছে। সাংবাদিকরা খবর সংগ্রহ করছেন। সেই খবর নিউজ ডেস্কে কর্মরতরা ভাষা দিয়ে সাজিয়ে দিচ্ছেন। খবরটিকে সুপাঠ্য করে তুলছেন তাঁরা। রাস্তায় ঘুরে স্পট থেকে ছবি তুলে আনছেন চিত্রগ্রাহকরা। সেই ছবি প্রাসঙ্গিক খবরের সঙ্গে ব্যবহার হচ্ছে। যা নিখুঁতভাবে পরিবেশিত হচ্ছে ফোটো এডিটিং বিভাগে কর্মরত ফোটো এডিটরদের পরিশ্রমের মধ্যে দিয়ে। নীলকণ্ঠ.in-এর খবর, আর্টিকেল ও ছবি সংস্থার প্রধান সম্পাদক কামাখ্যাপ্রসাদ লাহার দ্বারা নিখুঁত ভাবে যাচাই করবার পরই প্রকাশিত হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button