Lifestyle

সপ্তাহের সবচেয়ে খারাপ দিন কোনটা, আন্তর্জাতিকভাবে ঘোষণা হল সেই বার

সপ্তাহের জঘন্য দিন কোনটা যদি জিজ্ঞেস করা হয়? অনেকেই বলবেন এর আবার উত্তর হয় নাকি! কিন্তু এবার সেই বার কোনটা তা আন্তর্জাতিকভাবে ঘোষণা হল।

একটা সপ্তাহে ৭টি বার। সোম, মঙ্গল, বুধ, বৃহস্পতি, শুক্র, শনি ও রবিবার। এটিই গোল গোল ঘুরতে থাকে। এই ৭টি বারেই বাঁধা জীবন। এই বারগুলোর মধ্যে জঘন্য বার কোনটা? এমন প্রশ্ন যদি করা হয় তাহলে অনেকে অবাক হবেন।

কেউ বলবেন যাঁর কাছে যেটা। কেউ উত্তর দেবেন এ আবার কেমন ধারা প্রশ্ন? আবার বয়স ভেদে উত্তর আলাদা হতে পারে। কিন্তু তারপরেও একটি বার বিভিন্ন প্রক্রিয়া অবলম্বন করে বার করা হয়েছে যা সপ্তাহের জঘন্যতম বারের তকমা পেয়েছে।

দেখা গেছে বিশ্বজুড়ে সিংহভাগ মানুষ রবিবার সন্ধে থেকে মনখারাপে ভোগেন। কারণ পরদিন থেকে তাঁদের ফের কর্মজীবন শুরু। একটা দারুণ সপ্তাহান্ত কাটানোর পর ফের কাজে ফেরার পালা।

তারপর ফের ৫ দিন টানা কাজের মধ্যেই সারাদিন কেটে যাবে। ফের অপেক্ষা থাকবে সপ্তাহান্তের ছুটির। ফলে রবিবার সন্ধে নামলেই অধিকাংশ মানুষের মন খারাপ হয়ে যায় পরদিনটা সোমবার বলে।

এবার এই সোমবারকেই সপ্তাহের সবচেয়ে খারাপ দিনের তকমা দিল গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস। এটা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছে তারা। ট্যুইট করে একথা জানানো হয়েছে।

ফলে সোমবার নিয়ে কোনও প্রশ্ন আর থাকছে না। সোমবারটাই এখন বিশ্বজুড়ে সবচেয়ে খারাপ বার হিসাবে পরিগণিত হবে। কোনও একটি দেশের জন্য নয়, এটি বিশ্বের সব দেশের জন্য প্রযোজ্য। ছুটি কাটিয়ে ফের কাজে ফেরার সপ্তাহের প্রথম দিনটাই সবচেয়ে খারাপ দিন।

Show More

News Desk

নীলকণ্ঠে যে খবর প্রতিদিন পরিবেশন করা হচ্ছে তা একটি সম্মিলিত কর্মযজ্ঞ। পাঠক পাঠিকার কাছে সঠিক ও তথ্যপূর্ণ খবর পৌঁছে দেওয়ার দায়বদ্ধতা থেকে নীলকণ্ঠের একাধিক বিভাগ প্রতিনিয়ত কাজ করে চলেছে। সাংবাদিকরা খবর সংগ্রহ করছেন। সেই খবর নিউজ ডেস্কে কর্মরতরা ভাষা দিয়ে সাজিয়ে দিচ্ছেন। খবরটিকে সুপাঠ্য করে তুলছেন তাঁরা। রাস্তায় ঘুরে স্পট থেকে ছবি তুলে আনছেন চিত্রগ্রাহকরা। সেই ছবি প্রাসঙ্গিক খবরের সঙ্গে ব্যবহার হচ্ছে। যা নিখুঁতভাবে পরিবেশিত হচ্ছে ফোটো এডিটিং বিভাগে কর্মরত ফোটো এডিটরদের পরিশ্রমের মধ্যে দিয়ে। নীলকণ্ঠ.in-এর খবর, আর্টিকেল ও ছবি সংস্থার প্রধান সম্পাদক কামাখ্যাপ্রসাদ লাহার দ্বারা নিখুঁত ভাবে যাচাই করবার পরই প্রকাশিত হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button