কমন বটলনোজ ডলফিন, ছবি – সৌজন্যে – ইন্সটাগ্রাম - @tracyolive
জলে ঘুরে ডলফিনটি মাছের ঝাঁক খোঁজে। সেই মাছের ঝাঁকের কাছে গিয়ে একধরনের বিশেষ শব্দ করে। সে শব্দ যেমন মাছগুলোকে ভীত করে তেমনই সবচেয়ে ভরপেটে থাকা মাছকে টার্গেট করতে ডলফিনটিকে সাহায্য করে।
একবার টার্গেট স্থির হয়ে গেলে এবার শুরু হয় সেই মাছটিকে তাড়া করা। মাছটি বাবলস নামে সেই ডলফিনের তাড়া খেয়ে পালাতে থাকে। বাবলসও তাকে তাড়া করতে থাকে।
এভাবে ততক্ষণ মাছটিকে তাড়া করার পর্ব চলে যতক্ষণ না সে বমি করে ফেলে। মাছটি ভয়ে পালাতে পালাতে একবার বমি করে ফেললে সেই বমিটি খেয়ে নেয় বাবলস নামে ডলফিনটি। তার খাদ্য মাছটি নয়, বরং তার পেটে থাকা খাবার। যা মাছ বমি করে দিলে সে খেয়ে নেয়।
এভাবে একটার পর একটা মাছকে তাড়া করা এবং তাকে বমি করতে বাধ্য করে সেই বমি খেয়ে ফেলা, এটাই বাবলসের পেট ভরানোর উপায়। তার আশ্চর্য খাদ্যাভ্যাস।
অস্ট্রেলিয়ার গ্রেট ব্যারিয়ার রিফের কাছে লেডি এলিয়ট দ্বীপের আশপাশে প্রায় ৪ বছর ধরে বাবলস নামে ওই ডলফিনটিকে পর্যবেক্ষণ করে এমন এক বমি ভক্ষণ অভ্যাসের কথা জানতে পেরেছেন বিজ্ঞানীরা।
যেটা বিজ্ঞানীদের ভাবাচ্ছে সেটা হল এটা কি বিচ্ছিন্নভাবে কেবল বাবলস নামে ওই ডলফিনটির খাদ্যাভ্যাস, নাকি সমুদ্রে এমন অনেকেই করে থাকে।
গবেষকদের একাংশ মনে করছেন এটা বাবলস আলাদা করে করছেনা। এমনটা হয়তো অনেক সামুদ্রিক প্রাণিই করে থাকে। খবরটি বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।