এই কালীমন্দিরের প্রসাদেই লুকিয়ে আছে আসল চমক, একবার দর্শন করে আসতে পারেন

বাকি কালীমন্দিরের মত এই কালীমন্দিরেও রীতি মেনেই দেবীর উপাসনা হয়। তবে ভক্তদের জন্য চমক লুকিয়ে থাকে দেবীর প্রসাদে।

চিনা কালীমন্দির, ছবি - সৌজন্যে - উইকিমিডিয়া কমনস

কলকাতা শহরের উত্তর থেকে দক্ষিণ, সর্বত্রই কালীমন্দির নজর কাড়ে। যার মধ্যে অনেক মন্দিরই বহুল পরিচিত। যেখানে ভক্তের ঢল লেগেই থাকে।

কলকাতার অনেক কালীমন্দিরের মত একটি কালীমন্দির রয়েছে ট্যাংরা অঞ্চলের চায়না টাউনে। মন্দিরটি খুব পুরনো নয়। ১৯৯৮ সালে এই মন্দির প্রতিষ্ঠা হয়। তারপর থেকে এ মন্দিরে নিয়ম করে মাকালীর পুজো হয়ে আসছে।

মন্দিরে উপাসনার পাশাপাশি রীতি মেনে ভোগও নিবেদন করা হয়। কালীমন্দিরের ভোগ সম্বন্ধে কম বেশি ধারনা সকলেরই আছে। তাই এই মন্দিরে এসে প্রসাদ পাওয়ার সময় কিছুটা চমকে যান ভক্তেরা।

এই চিনা কালীমন্দিরে কিন্তু প্রসাদ হিসাবে মা-কে প্রদান করা হয় চিনে খাবার। যে তালিকায় থাকে নুডলস থেকে স্টিকি রাইস, চপ সি থেকে অন্যান্য চিনা খাবার। এগুলিই এখানে ভোগ হিসাবে নিবেদন করা হয়। তারপর পুজো হয়ে গেলে সেই প্রসাদ ভক্তদের মধ্যে বিতরণ করা হয়।

চিনা কালীমন্দির, ছবি – সৌজন্যে – উইকিমিডিয়া কমনস

এ মন্দিরে আরও একটি বিষয় নজরকাড়া। এখানে যে ধূপ দেওয়া হয় তা বিশেষ ধরনের চিনা ধূপ। আর যে বাতি ব্যবহার হয় তাও চিনের বিশেষ ধরনের বাতি।

এসব দিয়েই পুরোহিত পুজো করেন। আরতি করেন। এই আরতি দেখতে প্রতিদিন বহু ভক্তের ভিড় জমে এখানে। মন্দিরে হিন্দু রীতি মেনেই কালীপুজো হয়। কেবল প্রসাদই এই মন্দিরকে অন্য সব কালীমন্দির থেকে আলাদা করেছে।