করোনা ঠেকাতে বড় ভরসা বাঁদর, বলছে গবেষণা

করোনার দাদাগিরি রুখে দিতে এখন বাঁদরের ওপর ভরসা করছেন বিজ্ঞানীরা। অন্তত গবেষণা তাই বলছে। কিন্তু কেন? তাও স্পষ্ট করেছেন বিজ্ঞানীরা।

ফাইল : মায়ানমারের একটি চিড়িয়াখানায় বাঁদর, ছবি - আইএএনএস

করোনার প্রথম দিকের ঢেউয়ের ভয়াবহতা সামলে এখন বিশ্ব নতুন করে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে। অনেকটাই এখন স্বাভাবিক জনজীবন। করোনার সঙ্গে সহাবস্থান করতে শিখছেন বিশ্ববাসী। তবে করোনা বিদায় কিন্তু নেয়নি। এখনও সংক্রমণ ও মৃত্যু হচ্ছে। ভারতেও হচ্ছে, বিদেশেও হচ্ছে।

করোনার নতুন নতুন ধরন মিউটেট করে সামনে আসছে। ফলে এটা ভাবার কোনও কারণ নেই যে করোনা বিদায় নিয়েছে। ফলে মানুষকেও সতর্ক থাকতে হবে।

গবেষকেরাও থেমে নেই। তাঁরাও করোনায় পুরোপুরি লাগাম টানতে তাঁদের লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন। সেই লড়াইয়ে এক নতুন দিশা দেখতে পেলেন ক্যালিফোর্নিয়ার স্ক্রিপস রিসার্চ ইন্সটিটিউটের গবেষকেরা।

গবেষকেরা দাবি করেছেন তাঁরা রিস্যাস ম্যাকাকু বাঁদরদের দেহে এমন এক অ্যান্টিবডির খোঁজ পেয়েছেন যা ম্যাজিক দেখাতে পারে। এই অ্যান্টিবডি কেবল করোনাকে রুখে দেবে না, এই অ্যান্টিবডি অন্য সার্স ভাইরাসগুলিকেও শেষ করতে সক্ষম।

এই অ্যান্টিবডি ওই বাঁদরদের দেহে প্রাকৃতিকভাবেই তৈরি হয়েছে। গবেষকরা মনে করছেন কমবেশি বাঁদরদের দেহের এই অ্যান্টিবডি করোনা বা সার্সের অন্য ধরনের বিরুদ্ধে লড়তে বিশ্বকে একটা নতুন আলো দেখাতে পারে।

এই অ্যান্টিবডিকে আগামী দিনে কাজে লাগিয়ে বিজ্ঞানীরা করোনা রুখতে আরও ভাল টিকা তৈরি করতে পারবেন বলে মনে করছেন গবেষকরা। তাঁরা এটাও জানিয়েছেন এমন অ্যান্টিবডি কেবল বাঁদর বলেই নয়, কয়েকটি প্রাণির মধ্যেই রয়েছে। যা আগামী দিনে করোনা বা সার্সের অন্য ধরনের বিরুদ্ধে লড়াই করতে টিকার মান আরও অনেক উন্নত করে দিতে পারবে। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা