ডাবে বাজিমাত করে ভারতের মাথায় অনন্য মুকুট, অবদান রয়েছে পশ্চিমবঙ্গের

ডাব এবং নারকেলে বিশ্বের দরবারে নিজের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করল ভারত। ভারতের মুকুটে যুক্ত হল নতুন পালক। বিশ্ব মঞ্চে বড় সাফল্য পেল দেশ।

ফাইল : ডাবের পসরা সাজিয়ে দোকানি, ছবি - আইএএনএস

বিশ্বজুড়ে অনেক দেশেই ডাবের উৎপাদন হয়। ভারত অবশ্য ডাব উৎপাদনের জন্য বরাদ্দ জমিতে তৃতীয় স্থানে রয়েছে। মানে ডাব চাষের জন্য জমির নিরিখে ভারত বিশ্বে তৃতীয় স্থানে রয়েছে। কিন্তু তারপরেও এক অনন্য সম্মান ঝুলিতে পুরে ফেলল দেশ।

বিশ্বজুড়ে ডাবের ফলনে ভারত প্রথম স্থান দখল করে নিল। চলতি বছরে অবশ্য ডাবের উৎপাদন বাড়াতে ২১৭৫ হেক্টর অতিরিক্ত জমি ডাব চাষের জন্য ব্যবহার করা শুরু হয়েছে। বিভিন্ন রাজ্য মিলিয়ে এই ডাব চাষের জমি বিন্যাস হয়েছে।

২০২৪-২৫ সালে প্রতি হেক্টরে ডাব চাষে ফলন হত গড়ে ৯২৫৯টি। মানে প্রায় ১০ হাজার ডাব হত ১ হেক্টর জমিতে। এভাবে ওই অর্থবর্ষে ডাবের ফলন হয়েছিল ২০ হাজার ৩০১ মিলিয়ন।

ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে ডাব চাষ হলেও সবচেয়ে বেশি ডাবের উৎপাদন হয় কেরালায়। কেরালার ৭.৫৪ লক্ষ হেক্টর জমিতে শুধু ডাব চাষই হয়। উৎপাদনে অবশ্য অন্ধ্রপ্রদেশ অনেকটা এগিয়ে। তারপরই রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ এবং তামিলনাড়ু।

ডাব নিয়ে আশাবাদী ভারত। ২০৩০ সালের মধ্যে ডাব রফতানি ২ ট্রিলিয়ন ডলারে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্য স্থির করেছে ভারত। সেই সঙ্গে স্থির হয়েছে ২০৪৭ সালের লক্ষ্যমাত্রাও।

২০৪৭ সালের মধ্যে ডাব রফতানি ২১ ট্রিলিয়ন ডলারে নিয়ে যেতে চাইছে ভারত। ২০২৬-২৭ সালের বাজেটে কোকোনাট প্রোডাকশন স্কিম-কে শক্তিশালী করে কৃষকদের রোজগার বৃদ্ধি এবং রফতানিতে বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা