তিনি পেশায় ফটোগ্রাফার। তবে স্থলভাগের ফটো তোলায় তিনি বিশেষজ্ঞ নন। তিনি সমুদ্রের তলার ফটোগ্রাফিতে দক্ষ। তাই তিনি মাঝেমাঝেই ডুব দেন সমুদ্রের তলদেশে। সেখানে ভেসে বেড়ান ভাল ছবি পাওয়ার আশায়।
এমন করতে গিয়েই সমুদ্রের তলায় একটি ভাঙা জাহাজের দেখা পান তিনি। জাহাজের কাছে হাজির হয়ে তিনি সেই সমুদ্রের তলায় পড়ে থাকা ভাঙা জাহাজ থেকে একটি বোতল পান। সেটি নিয়ে জলের উপরে চলে আসেন।
বোতলটি এরপর ভাল করে পরীক্ষা করতে গিয়ে তিনি দেখেন সেটি একটি বিয়ারের বোতল। ভাল করে বোতলের গা পরিস্কার করার পর দেখা যায় তাতে লেখা আছে গিনেস।
গিনেস হল ১৭৫৯ সালে আয়ারল্যান্ডে তৈরি এক বিয়ার সংস্থা। যারা কালচে রংয়ের বিয়ার প্রস্তুত করত। ওই ফটোগ্রাফার যে বোতলটি উদ্ধার করেন সেটি অবশ্য গিনেসের ১৮৬৪ সালে তৈরি বোতল।
অর্থাৎ ওই পুরু কালচে কাচের বোতলে বিয়ার পূর্ণ করা হয়েছিল ১৬২ বছর আগে। তারপর সেটির মুখ কর্কবন্দি করা হয়। যে ভাঙা জাহাজ থেকে সেটি উদ্ধার হয়েছে সেখানে বোতলটি উল্টো করে রাখা ছিল। বোতলটি খোলা হয়নি।
বিজ্ঞানীদের ধারনা ওই ১৬২ বছর পুরনো বোতলের তরল এখনও পানযোগ্য রয়েছে। কেবল তাঁরা এটাই পরীক্ষা করে দেখছেন যে কোনওভাবে কর্ক দিয়ে চুঁইয়ে সমুদ্রের জল তরলের সঙ্গে মিশেছে কিনা।
তা না হলে ওই তরল এখনও পানযোগ্য বলে মনে করছেন বিজ্ঞানীরা। ইংল্যান্ড উপকূলের কাছে জলের তলায় জাহাজের ধ্বংসাবশেষ থেকে বোতলটি উদ্ধার করেন বেলজিয়ামের এক ফটোগ্রাফার।