একই অনুষ্ঠানে তাঁর ২ পুরুষ বন্ধুকে বিয়ে করলেন এক মহিলা
একেবারে অনুষ্ঠান করে বিয়ে। সেখানে ১ জন নয়, তাঁর ২ পুরুষ বন্ধুকে বিয়ে করলেন এক মহিলা। বিয়ে করে ৩ জনই আনন্দিত।
বিয়ে তো ১ জনকেই করা যায়। কিন্তু এক বছর ৩৭-এর মহিলা তাঁর ২ পুরুষ বন্ধুকেই একসঙ্গে বিয়ে করে ফেললেন। ২ জনকে ২ পাশে নিয়ে বেজায় খুশি তিনি।
ওই মহিলার সঙ্গে এক অস্ট্রেলীয় অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ আধিকারিকের দেখা হয়েছিল থাইল্যান্ডের ফুকেট-এ। তাঁদের ২ জনের বন্ধুত্ব ক্রমে বাড়তে থাকে। এটা বছর পাঁচেক ধরে চলে।
তবে বছর খানেক আগে অস্ট্রেলিয়ারই অন্য এক পুলিশ আধিকারিক হাজির হন থাইল্যান্ডে। তিনি আদপে ওই অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ আধিকারিকের বন্ধু। ওই ব্যক্তির সঙ্গেও সম্পর্ক গড়ে ওঠে ওই মহিলার। ২ বন্ধু একসঙ্গে গভীর সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন ওই মহিলার সঙ্গে।
অবশেষে তাঁরা বিয়ে করবেন বলে স্থির করেন। ৩ জন একসঙ্গে বৈবাহিক জীবন যাপনে সম্মত হন। ওই মহিলাও ২ পুরুষ বন্ধুকে বিয়ে করতে রাজি হন।
সেইমত পারিবারিক ভাবে একটি অনুষ্ঠান করা হয়। থাইল্যান্ডের ওই মহিলা তাঁর ২ বন্ধুকে ২ পাশে বসিয়ে বিয়ে করেন। ৩ জনকে দেখেই মনে হয়েছে তাঁরা খুশি। এমনকি মহিলার পরিবারও এই বিয়েতে অংশ নেয়। তারাও খুশি।
থাইল্যান্ডে অবশ্য এভাবে ২ জনকে বিয়ে করা যায়না। তা আইনত নিষিদ্ধ। ফলে ওই মহিলার সঙ্গে ১ জনেরই বিয়ে সরকারি খাতায় নথিবদ্ধ হবে।
২ পুরুষের সঙ্গে ১ জন মহিলার সম্পর্ক নতুন নয়। কিন্তু এভাবে ঘটা করে ২ বন্ধুকে একসঙ্গে কোনও মহিলা বিয়ে করছেন এমন দৃশ্য বড় একটা দেখতে পাওয়া যায়না। খবরটি থাই সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার পর ক্রমে তা অন্য দেশের সংবাদমাধ্যমেও জায়গা করে নেয়।













