সিংহ সেজে নাচতে নাচতে চোর ধরল পুলিশ
এক চোরের নাগাল পেতে পুলিশকে রীতিমত সিংহ সাজতে হল। রাস্তায় নাচতেও হল সিংহের সাজে। তাতে অবশ্য কাজ হয়। ধরা পড়ে চোর।
সময়টাই কাজে লেগে গেল। তাই সিংহ সাজতে পুলিশের অসুবিধাও হল না। চোরও টের পেল না সিংহের সাজে পুলিশ থাকতে পারে। সবটাই সম্ভব হল একটি পারম্পরিক প্রচলনের হাত ধরে। মানে এক ঢিলে ২ পাখির প্রবাদের মত।
চুরি গিয়েছিল ২টি ভগবান বুদ্ধের মূর্তি। পুলিশ বিষয়টি জানতে পারে। তারা চোরকে পাকড়াও করার জন্য খবর নিতে শুরু করে। তাতেই পুলিশের কাছে একটি গোপন খবর আসে যে যে চুরি করেছে সে তার সঙ্গী সাথীদের সঙ্গে একটি মন্দিরে দেখা করতে চলেছে। পুলিশ সেইমত জাল বেছায়।
থাইল্যান্ডে লুনার নিউ ইয়ার পালিত হয় ধুমধামের সঙ্গে। সেখানে অনেকে লাল ও হলুদ রংয়ের পোশাকে সিংহ বা ড্রাগন সেজে নাচেন। রাস্তাতেই হয় সেই নাচ। বহু মানুষ সেই নাচ দেখতে জড়ো হন। একেবারে তুঙ্গে থাকে উৎসবের মেজাজ।
যেহেতু লুনার নিউ ইয়ার পালন চলছিল তাই সেটাকেই কাজে লাগায় থাই পুলিশ। তারা সাই নোই জেলার একটি মন্দিরের সামনে সিংহের পোশাক পরে নাচতে থাকে। যাতে চোরের সন্দেহ না হয়।
পুলিশ যা ভেবে সিংহ সেজে রাস্তায় নাচতে শুরু করেছিল, ঠিক সেটাই হয়। পুলিশ যে তাকে লক্ষ্য রাখছে তা বুঝতেও পারেনি চোর। সে নিশ্চিন্তে ভিড়ের মধ্যেই তার সঙ্গীদের সঙ্গে দেখা করতে আসে।
আর ঠিক তখনই সিংহরূপী পুলিশ ঝাঁপিয়ে পড়ে তার ওপর। পাকড়াও করা হয় চোরকে। এমন এক অভিনব উপায়ে চোর ধরার ঘটনা বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে খবর হতে সময় নেয়নি।













