SciTech

এই চিংড়ির কানফাটা আওয়াজে ফেটে যায় কাচও

কানে তালা লাগার জোগাড় হতে পারে এই চিংড়ির কাছে পিঠে থাকলে। এমনি তার আওয়াজের জোর! আওয়াজ করতে দাঁড়ই তাদের সম্পদ।

একটা ছোট্ট চিংড়ি। তার যে এমন আওয়াজের জোর তা সামনে না গেলে বোঝা যাবেনা। কানে তালা লাগানো আওয়াজ তার। চিংড়ির সাইজ দেখলে কিন্তু বিশ্বাস করা কঠিন।

খুব বেশি হলে ৫ সেন্টিমিটার সাকুল্যে। কড়ে আঙুলের মত হবে। তাতেই যে কামাল এই চিংড়ি দেখায় তাতে গোটা বিশ্ব তাকিয়ে থাকতে পারে।

এই ছোট্ট চিংড়ির নাম স্ন্যাপিং চিংড়ি। কেন স্ন্যাপিং চিংড়ি? তার পিছনেও রয়েছে কারণ। চিংড়ির যে দাঁড় থাকে তা সকলের জানা।

এই চিংড়ির একটি দাঁড় হুবহু পিস্তলের মত দেখতে হয়। সেই দাঁড়ের সামনের অংশটি অনেকটাই বাঁকাতে পারে স্ন্যাপিং চিংড়ি। আর সেটাই তার প্রধান হাতিয়ার।

ওই পিস্তলের মত দেখতে দাঁড় দিয়ে এই চিংড়ি ঘণ্টায় ১০০ কিলোমিটারের ওপর গতিতে জল ছেটাতে পারে। এই জল ছেটানোর সময়ই তীব্র বিকট একটা শব্দ বেরিয়ে আসে। যা কান ঝালাপালা করে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট।

বিশ্বের সবচেয়ে বেশি আওয়াজ করা যে প্রাণিগুলি রয়েছে তাদের মধ্যে এই খুদে চেহারার স্ন্যাপিং চিংড়ি অন্যতম। মাঝে মাঝেই তারা প্রবল গতিতে জল ছাড়ে। যা শব্দ তৈরি করার পাশাপাশি জলের তলায় সেই জায়গায় একটা আলোড়ন তৈরি করে।

বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, স্ন্যাপিং চিংড়ি এতটাই তীব্র শব্দ করতে পারে যে সেই শব্দের চোটে অ্যাকোয়ারিয়ামের কাচ পর্যন্ত ফেটে যেতে পারে।

Show More

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button