Sports

দানিশের সঙ্গে এক টেবিলে খেতেন না পাক খেলোয়াড়েরা : শোয়েব আখতার

তিনি ধর্ম বা অঞ্চলের ভিত্তিতে বিভাজনের বিরোধী। এজন্য যখন তিনি পাক ক্রিকেটার দানিশ কানেরিয়ার সঙ্গে এ ধরনের আচরণ হত তার প্রতিবাদ করতেন। পাকিস্তানের একটি টিভি শো ‘গেম অন হ্যায়’-তে গিয়ে একথা বললেন প্রাক্তন পাক পেসার শোয়েব আখতার। রাওয়ালপিন্ডি এক্সপ্রেস বলেন, তিনি বারবার দেখেছেন দানিশের সঙ্গে এক টেবিলে বসে পাক ক্রিকেটাররা খেতেন না। তাই তিনি বলেছিলেন, যে খেলোয়াড়ের জন্য পাকিস্তান ইংল্যান্ডে টেস্ট জিতেছিল, অনেক ম্যাচ যাঁর বলের জন্য পাকিস্তান জিতেছে তাঁর সঙ্গে এক টেবিলে বসে খেতে আপত্তি?

প্রসঙ্গত ২০০৫ সালে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের টেস্ট জয়ের নায়কের নাম ছিল দানিশ কানেরিয়া। পাকিস্তানের এই স্পিনার পাক ক্রিকেট দলে খেলা দ্বিতীয় হিন্দু। পাকিস্তানের একটি হিন্দু পরিবারে জন্ম তাঁর। তারপর নিজের বলের ঘূর্ণির যাদুতে তিনি জায়গা করে নেন পাক ক্রিকেট দলে। স্পিনার হিসাবে পাকিস্তানের সবচেয়ে সফল ক্রিকেটার তিনি। পাকিস্তানের চতুর্থ সেরা উইকেট দখলকারী। তাঁর সঙ্গে এমন আচরণ মানতে পারেননি শোয়েব। এমনই দাবি করেছেন তিনি।


শোয়েব আখতারের এই মন্তব্যের পর খোদ পাকিস্তানেই তিনি ট্যুইটারে প্রশংসা পেয়েছেন। অনেকেই ধর্মের ভিত্তিতে বিভাজনের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর তারিফ করেছেন। শোয়েব নিজেও প্রশ্ন তুলেছেন একজন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটারের কী এটাই পাওনা হতে পারে? সে প্রশ্ন তিনি অধিনায়ককে জিজ্ঞাসাও করেন। পাকিস্তানের ৩টি প্রদেশের দলের ক্ষেত্রে দানিশ এমন আচরণ সবচেয়ে বেশি পেয়েছেন বলে দাবি করেন শোয়েব। শোয়েবের এমন বিস্ফোরক মন্তব্য নিয়ে ইতিমধ্যেই পাকিস্তানে চর্চা তুঙ্গে উঠেছে। প্রসঙ্গত পরবর্তীকালে ম্যাচ ফিক্সিংয়ের জন্য ইংল্যান্ড ও ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড দানিশ কানেরিয়াকে সারা জীবনের জন্য নির্বাসিত করে। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা

Show More

News Desk

নীলকণ্ঠে যে খবর প্রতিদিন পরিবেশন করা হচ্ছে তা একটি সম্মিলিত কর্মযজ্ঞ। পাঠক পাঠিকার কাছে সঠিক ও তথ্যপূর্ণ খবর পৌঁছে দেওয়ার দায়বদ্ধতা থেকে নীলকণ্ঠের একাধিক বিভাগ প্রতিনিয়ত কাজ করে চলেছে। সাংবাদিকরা খবর সংগ্রহ করছেন। সেই খবর নিউজ ডেস্কে কর্মরতরা ভাষা দিয়ে সাজিয়ে দিচ্ছেন। খবরটিকে সুপাঠ্য করে তুলছেন তাঁরা। রাস্তায় ঘুরে স্পট থেকে ছবি তুলে আনছেন চিত্রগ্রাহকরা। সেই ছবি প্রাসঙ্গিক খবরের সঙ্গে ব্যবহার হচ্ছে। যা নিখুঁতভাবে পরিবেশিত হচ্ছে ফোটো এডিটিং বিভাগে কর্মরত ফোটো এডিটরদের পরিশ্রমের মধ্যে দিয়ে। নীলকণ্ঠ.in-এর খবর, আর্টিকেল ও ছবি সংস্থার প্রধান সম্পাদক কামাখ্যাপ্রসাদ লাহার দ্বারা নিখুঁত ভাবে যাচাই করবার পরই প্রকাশিত হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button