World

প্রবল ঠান্ডায় একটি কুকুরকে কম্বল দিয়ে ঢাকায় চাকরি গেল পিৎজা ডেলিভারি কর্মীর

অসহ্য ঠান্ডা। বরফ পড়ছে। তারমধ্যে একটি কুকুর কষ্ট পাচ্ছে দেখে কুকুরটিকে কম্বল দিয়ে মুড়ে দিয়েছিলেন এক পিৎজা ডেলিভারি কর্মী। সেই সাহায্য তাঁর চাকরি কেড়ে নিল।

একটি পিৎজার দোকানের সামনে একটি কুকুর গত প্রায় দেড় বছর ধরে প্রায়ই এসে বসে থাকত। তাকে সবাই চিনে গিয়েছিলেন। পিৎজার দোকানের কর্মীরা কুকুরটির যত্নও নিতেন। খেতে দেওয়া, খুব ঠান্ডায় কম্বল দিয়ে মুড়ে দেওয়া, এমন নানাভাবে পথ কুকুরটি যত্ন পেত।

চলছিল ভালই। হালে ওই পিৎজা চেনের ওই দোকানের ম্যানেজার বদল হয়। এক মহিলা আসেন ম্যানেজার হিসাবে। তিনি এসেই দোকানের কর্মীদের জানিয়ে দেন ওই কুকুরটিকে যদি কেউ কোনওভাবে সাহায্য করবেন তাঁর চাকরি যাবে।

ঘটনাটি রাশিয়ার চেলিয়াবিনস্ক শহরে একটি পিৎজার দোকানের। এখন সেখানে অসহ্য ঠান্ডা। মাইনাস ২০-তে নেমে যাচ্ছে পারদ। ওই দোকানের এক কর্মী কাজে এসে দেখেন কুকুরটি দোকানের সামনে গুটিসুটি হয়ে বসে আছে ওই মাইনাস ২০ ডিগ্রি ঠান্ডায়। বরফ পড়ছে অবিরত। ওই কর্মী সব ভুলে কুকুরটিকে ওই ঠান্ডা থেকে বাঁচানোর জন্য একটি কম্বল এনে জড়িয়ে দেন।

এটা জানতে সময় লাগেনি ওই ম্যানেজারের। কাজে যোগ দিয়ে একটি ডেলিভারি করতে গিয়ে মাঝপথেই ওই কর্মী জানতে পারেন তাঁর চাকরিটা আর নেই। এই ঘটনা সামনে আসার পরই পশুপ্রেমী সংগঠন থেকে সাধারণ মানুষ পিৎজা সংস্থার বিরুদ্ধে তোপ দেগেছেন।

একটা কুকুরকে ওই ঠান্ডা থেকে বাঁচানোর শাস্তি চাকরি যাওয়া এটা মেনে নিতে পারছেন না অনেকেই। রাশিয়ার সমাজ মাধ্যমেও এ নিয়ে সমালোচনার ঝড় উঠেছে।

তবে ওই সংস্থার দাবি, কুকুরকে সাহায্য করার জন্য নয়, অন্য কারণে চাকরি গেছে ওই কর্মীর। কি কারণ তা অবশ্য তারা জানাতে পারেনি। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমেও এই খবরটি প্রকাশিত হয়।

Show Full Article

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *