শসা কিনছেন, নাকি সোনা কিনছেন, বুঝে উঠতে পারছেন না এই দেশের মানুষ
এ দেশের সাধারণ মানুষ এখন শসাকে ডাকছেন নতুন সোনা নামে। তাঁরা বুঝেই উঠতে পারছেন না তাঁরা বাজার থেকে শসা কিনছেন, নাকি সোনা কিনছেন।
সব সীমা ছাড়িয়ে গেছে শসার দাম। শসার দাম শুনেই সেই দোকান ছেড়ে চলে যাচ্ছেন অধিকাংশ মানুষ। এই মাসেই শসার দাম পুতিনের দেশে মাংসের দামের চেয়েও বেশি হয়ে গিয়েছিল। যা নিয়ে রাশিয়া জুড়েই সাধারণ মানুষ তাঁদের উষ্মা প্রকাশ করতে থাকেন সমাজ মাধ্যমের পাতায়।
এবার সেই শসার দাম এমন জায়গায় পৌঁছেছে যে সাধারণ মানুষ একে রাশিয়ার নতুন সোনা বলে ডাকছেন। ভারতীয় মুদ্রায় ৫৫০ টাকা কেজি থেকে শুরু করে তার দ্বিগুণ এমনকি ত্রিগুণ দামেও বিকোচ্ছে শসা। যা সে দেশের সাধারণ মানুষের ধরাছোঁয়ার বাইরে চলে যাচ্ছে।
শসা তো বটেই, তার সঙ্গে রাশিয়া জুড়েই আনাজপাতির দাম হুহু করে বেড়েছে। যা সাধারণ মানুষের পক্ষে কেনা ক্রমশ অসম্ভব হয়ে উঠছে। ফলে তাঁরা ক্ষোভও উগরে দিচ্ছেন।
ইউক্রেনের সঙ্গে সংঘাত পরিস্থিতি এই অবস্থার জন্য দায়ী বলে জানাচ্ছেন সে দেশের বিশেষজ্ঞেরা। এই সংঘাত পরিস্থিতিতে লাফিয়ে লাফিয়ে আনাজের দাম বাড়ছে। ফলের দাম বাড়ছে। যা সাধারণ মানুষের জীবন চালানোকে ক্রমশ চাপের মুখে ঠেলে দিচ্ছে।
রাশিয়ায় শীতের সময় সাধারণত আনাজ ও ফলের দাম বাড়ে। একে মরসুমি প্রভাব বলা হয়। কিন্তু এবার যেখানে দাম ঠেকেছে তা মরসুমি প্রভাবের ফলে প্রতিবছরের দাম বৃদ্ধির চেনা ছবির সঙ্গে মিলছেনা।
এবার দাম এক অস্বাভাবিক উচ্চতা ছুঁয়েছে। ইউক্রেন সংঘাতের পাশাপাশি শ্রমিকের অভাবকেও সামনে আনছেন অনেকে। কারণ যাই হোক, রাশিয়ার সাধারণ মানুষ এখন প্রতিদিনের আনাজ, ফল কিনতে হিমসিম খাচ্ছেন।













