জিনিসপত্রের খাঁজে লুকিয়ে জলপথে বিদেশে পৌঁছল সে, এরপর দেখামাত্র যা হল
বড় চেহারা। কিন্তু অনেক জিনিসপত্রের খাঁজে লুকিয়ে পড়লে তো তাকে খুঁজে পাওয়া মুশকিল। সেভাবে সকলের অলক্ষ্যে দেশ ছেড়ে অন্য দেশে পৌঁছে গেল সে।
জলপথে যাওয়ার একটাই উপয়, জাহাজ। সেই জাহাজে চেপেই সে পাড়ি দিল বিদেশে। অন্য দেশে যাওয়ার জন্য জাহাজে এখন আর কেউ যাতায়াত করেনা। ফলে দেশ থেকে দেশান্তরে সমুদ্রপথে যত জাহাজ ভেসে বেড়াচ্ছে তার প্রায় সবই পণ্যবাহী।
তেমনই একটি পণ্যবাহী জাহাজ ছাড়ছিল ইংল্যান্ড থেকে। সেটি সময়মত জলে ভেসে পড়ে। যেখানে ভরা ছিল জিনিসপত্র। তার খাঁজে যে একটি লাল শেয়াল কখন সকলের নজর এড়িয়ে টুক করে ঢুকে পড়েছে তা কেউ টেরও পাননি।
জাহাজ তাই তাকে নিয়েই পাড়ি দেয়। জলে ভেসে জাহাজ পৌঁছে যায় আমেরিকায়। নিউ ইয়র্ক ও নিউ জার্সি বন্দরে জাহাজ পৌঁছলে শুরু হয় মালপত্র নামানোর তোড়জোড়। সেই সময় বন্দরের আধিকারিকদের নজরে পড়ে সেই লাল শেয়ালটি। যে ইংল্যান্ড থেকে সকলকে লুকিয়ে নিউ ইয়র্ক পৌঁছে গেছে।
বছর ২ বয়সের এই পুরুষ লাল শেয়ালটিকে ধরতে খুব একটা বেগ পেতে হয়নি প্রাণি সংরক্ষণের সঙ্গে যুক্ত সংস্থার সদস্যদের। কার্গো শিপ থেকে মালপত্র নামানোর সয়ই তাকে অনায়াসে ধরে ফেলেন তাঁরা।
শেয়ালটিকে পাকড়াও করে তাকে নিয়ে যাওয়া হয় নিউ ইয়র্কের ব্রঙ্কস চিড়িয়াখানায়। আপাতত সেখানেই জায়গা হয়েছে এই ভিনদেশী শেয়ালের।
ইংল্যান্ড থেকে লুকিয়ে আমেরিকায় পৌঁছলেও সেখানে পৌঁছে সে আর স্বাধীন থাকতে পারল না। আমেরিকা ঘুরেও দেখা হল না তার। তবে তার দেখভালে ত্রুটি রাখছেন না চিড়িয়াখানার সদস্যরা। তার শারীরিক পরীক্ষাও করা হয়েছে।













