সাদা, কালো বা সবুজ, প্রধানত এই ৩ ধরনের পাথরের ওপর রঙিন পাথরের কাজ। যে পাথরের ওপর এই রঙিন কাজ ফুটে ওঠে সেই পাথরে প্রথমে খাঁজ কেটে নেওয়া হয়। যে ডিজাইন হবে সেইমত তৈরি হয় খাঁজ। তারপর ডিজাইন মেনে বহুমূল্য থেকে সাধারণ রঙিন পাথর, এমন নানা ধরনের পাথরকে কেটে নেওয়া হয়।
যদি ফুলের ডিজাইন হয় তাহলে সেই ফুলের মতই কেটে নেওয়া হয় পাথর। তারপর তা ওই পাথরের খণ্ডের খাঁজে খাঁজে বসিয়ে দেওয়া হয়। আঠা দিয়ে আটকে দেওয়া হয় যাতে খুলে না যায়।
পাথরের এই কাজ সম্পূর্ণ হলে পাথরের ওপর হাত দিয়ে তার ওপর যে খাঁজ কেটে রঙিন পাথর বসানো হয়েছে তা বোঝাই যায়না। এমনকি খাঁজ কেটে যে পাথর বসানো সেটাও বোঝা যায়না। কোনও দাগ থাকেনা। উপর নিচে হয়ে থাকেনা।
বহু প্রজন্ম ধরে আগ্রার অনেক পরিবার এই বিশেষ পাথরের কাজের সঙ্গে যুক্ত। এই শিল্পের নাম পিয়েত্রা দুরা বা স্থানীয়ভাবে পারচিনকারী। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আগ্রার এই পারচিনকারী শিল্পের উপহার তুলে দেন অস্ট্রেলিয়ার গভর্নর জেনারেলের হাতে।
প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া এই উপহার তাঁদের এই শিল্পকে নতুন অক্সিজেন দিতে পারে বলেই মনে করছেন আগ্রার শিল্পী তথা বিক্রেতারা। তাঁদের মতে, প্রধানমন্ত্রীর এই উপহারের পর তাঁদের এই শিল্পের কথা আরও বহু মানুষের কাছে পৌঁছবে। তাতে এই শিল্পের প্রতি মানুষের আগ্রহ তৈরি হবে। তাঁরা এই কাজ কেনার প্রতি আরও উৎসাহী হবেন। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা