চিতাশূন্য দেশে রাতের ঘুম কাড়ল সেই চিতাই
২০২২ সালের শুরুতেও ভারতে কোনও চিতা ছিলনা। সেই চিতাই এখন নিজেদের জঙ্গল ছেড়ে পৌঁছল অন্য রাজ্যে। ঢুকে পড়ল জনবসতিতে।
২০২২ সালের শুরুতে ভারতে অন্য অনেক প্রাণির দেখা পাওয়া গেলেও চিতা ছিলনা। চিতা ভারতে বহুকালই অমিল। দেশে চিতার বিচরণ তৈরি করতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর উদ্যোগে শুরু হয় আফ্রিকা থেকে চিতা এনে ভারতের জঙ্গলে ছাড়া।
সব জঙ্গলে নয়। কেবল মধ্যপ্রদেশের কুনো জাতীয় উদ্যানেই এই চিতাদের ছাড়া হয়। এখন সব মিলিয়ে ভারতে চিতার সংখ্যা ৫০ পার করে গেছে। দেশের এই চিতাশূন্যতা কাটাতে যে চিতাদের আফ্রিকা থেকে নিয়ে আসা হয় তারা এখন কুনোতে সংসার পেতে সন্তানদের জন্মও দিয়েছে।
জঙ্গলের মধ্যে এতদিন থাকলেও এবার কিন্তু চিতা আতঙ্কের কারণ হয়ে উঠছে। কারণ এখানে জন্ম নেওয়া একটি চিতা কুনোর জঙ্গর পার করে সীমানা পার করে ঢুকে পড়েছে রাজস্থানে। সেখানে গিয়ে গ্রামেও ঢুকেছে সে। কখনও গ্রাম লাগোয়া জঙ্গলে বিশ্রাম নিচ্ছে, তো কখনও ঘুরছে গ্রামের পথে, কৃষকদের ক্ষেতে।
চিতার ভয়ে এখন কাঁটা হয়ে আছেন রাজস্থানের কোটা জেলার পিপালদা সামেল গ্রামের বাসিন্দারা। সেখানে যখন তখন চিতাটির দেখা পাওয়া যাচ্ছে। কখন সে কার ক্ষতি করে সেই ভয়ে দিন কাটাচ্ছেন গ্রামবাসীরা।
এদিকে বন দফতরের আধিকারিক থেকে কর্মী সকলেই নজর রাখছেন ওই চিতার গতিবিধির ওপর। গ্রামের মানুষকে সতর্ক থাকতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
পাশাপাশি গ্রামবাসীদের আশ্বস্ত করে এটাও জানানো হয়েছে যে আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই। চিতারা সাধারণত মানুষকে আক্রমণ করেনা। কিন্তু সে আশ্বাসে গ্রামবাসীদের চিন্তা দূর হচ্ছেনা। বরং আতঙ্ক ছড়িয়েছে আশপাশের গ্রামেও। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা













