২০৩০ লক্ষ্য, স্বপ্নপূরণে দমকা হাওয়ায় ভর করে সাদা প্রান্তরের মুখ ঢেকে তৈরি হবে প্রচুর বিদ্যুৎ
২০৩০ সালকে পাখির চোখ করেছে কেন্দ্র। এরমধ্যেই ভারতের ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছতে অন্য পথে স্বপ্নপূরণ করতে বাস্তব হচ্ছে বড় উদ্যোগ।
যেদিকে ২ চোখ যায় শুধুই ধূধূ প্রান্তর। যেখানে হাওয়া নিজের মত খেলে বেড়ায়। আকাশ তার মুখ দেখে সাদা আয়নার প্রান্তরে। তবে সে সাদা প্রান্তর মুখ ঢাকছে। মুখ ঢাকছে দেশের স্বপ্নকে বাস্তব রূপ দিতে। ২০৩০ সালের লক্ষ্যমাত্রাকে সঠিক সময়ের মধ্যে বাস্তবায়িত করতে।
এজন্য ৭২ হেক্টর সাদা নুনের প্রান্তরকে কাজে লাগিয়ে তৈরি হয়েছে খাবড়া রিনিউয়েবল এনার্জি পার্ক। যেখানে তৈরি হতে চলেছে ৩০ গিগাওয়াট বিদ্যুৎ। তবে তা চিরাচরিত কয়লা পুড়িয়ে বা জলে টারবাইন ঘুরিয়ে নয়। বরং অচিরাচরিত পদ্ধতিতে বিদ্যুৎ তৈরি করে। যা ব্যবহার করলে শেষ হয়না।
সত্যিই তো রোদ বা হাওয়ার কি শেষ আছে? নেই তো! এরাও তো বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারে। তাতে কয়লা বাঁচবে। জীবাশ্ম জ্বালানি রক্ষা পাবে। বায়ুদূষণও হবেনা। আবার বিদ্যুৎও তৈরি হবে।
ভারত সরকার ২০৩০ সালের মধ্যে দেশে ৫০০ গিগাওয়াট এমন অচিরাচরিত বিদ্যুৎ তৈরি করার লক্ষ্যমাত্রা স্থির করেছে। আর সেই লক্ষ্যপূরণে বড় ভূমিকা নিতে চলেছে এই খাবড়া রিনিউয়েবল এনার্জি পার্ক।
গুজরাটের কচ্ছের রণে নুনের সাদা প্রান্তরে সোলার প্যানেল বসিয়ে ২০ গিগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হতে চলেছে। বসানো হয়েছে উইন্ড মিলও। যা দমকা হাওয়া থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করবে। যেহেতু ধুধু প্রান্তর, তাই এখানে সারাদিনই জোরে হাওয়া বয়। যা এই বিদ্যুৎ উৎপাদনে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।
ইতিমধ্যেই খাবড়া রিনিউয়েবল এনার্জি পার্কে ১০ গিগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয়ে গেছে। ধাপে ধাপে তা বাড়ানো হচ্ছে। ২০২০ সালে এই বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্পের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তারপর থেকে ক্রমে এখানকার বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা বেড়ে চলেছে।
পুরোটা তৈরি হলে কেবল একটি জায়গায় বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে বেশি অচিরাচরিত বিদ্যুৎ উৎপাদনের বিরল ইতিহাস তৈরি করবে এই খাবড়া রিনিউয়েবল এনার্জি পার্ক। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা













