পোষা মোরগের জন্য রাতারাতি দেড় কোটি টাকার মালিক হলেন এক ব্যক্তি
রাতারাতি দেড় কোটি টাকা। তাও এল কয়েক মিনিটের ব্যবধানে। তাও আবার একটা মোরগের কৃপায়। সংক্রান্তিতে এটাই সবচেয়ে মোটা অঙ্কের প্রাপ্তি।
গত ৬ মাসে পরিচর্যার অন্ত রাখেননি। তার বিনিময়ে মোরগ যা ফিরিয়ে দিল তা তাঁর যত্নের খরচের চেয়ে বহুগুণ বেশি। কার্যত স্বপ্নের মত অর্থ প্রাপ্তি। গত ৬ মাসে প্রচুর মেওয়া ফল খেয়ে মোরগটি যথেষ্ট শক্তি সঞ্চয় করে। যা আখেরে তাকে এমন কিছুতে সাফল্য এনে দিল যাতে তার কোনও বাড়তি প্রাপ্তি নেই।
তবে তার মনিবের পকেটে এল ১ কোটি ৫৩ লক্ষ টাকা! সংক্রান্তি উপলক্ষে অন্ধ্রপ্রদেশের পশ্চিম গোদাবরী জেলায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল একটি মোরগের লড়াই। প্রসঙ্গত মোরগের লড়াই বেআইনি। আইনগত ভাবে নিষিদ্ধ।
মোরগের লড়াইকে কেন্দ্র করে কোনও টাকার জুয়াও নিষিদ্ধ। কিন্তু তার সবই সংক্রান্তিতে অনুষ্ঠিত হল। যেখানে দেখা পাওয়া যায় জনপ্রতিনিধি থেকে বিভিন্ন ক্ষেত্রের উচ্চপদস্থ লোকজনের।
সংক্রান্তি উপলক্ষে মোরগের লড়াই অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সাধারণভাবে মোরগের পায়ে বাঁধা থাকে ছোট একটি ছুরি। এবার ২টি মোরগকে সামনাসামনি লড়াইয়ের ঘেরাটোপে ছেড়ে দেওয়া হয়।
এ লড়াই আশপাশে দাঁড়িয়ে বহু মানুষ উপভোগ করলেও, এ লড়াইয়ের পরিণতি হয় মারাত্মক। পায়ে লাগানো ছুরির আঘাতে ২টির মধ্যে একটি মোরগের জীবন যাওয়ার মধ্যে দিয়ে স্থির হয় হার জিত। মোরগ জিতলে তার মনিব পান জুয়ার অর্থ।
এবার সংক্রান্তি উপলক্ষে হওয়া মোরগের সেই লড়াইয়ে সবচেয়ে বড় অঙ্ক জয় করে নিয়ে গেলেন রাজামুন্দ্রি রমেশ। তাডেপল্লিগুদেম নগরে এই মোরগের লড়াইটি অনুষ্ঠিত হয়।
তবে যে মোরগের লড়াইয়ের অনুষ্ঠান থেকে রাজামুন্দ্রি এই বিপুল অঙ্ক জেতেন সেখানকার আয়োজকরা দাবি করেছেন তাঁদের মোরগের লড়াই সংক্রান্তির পরম্পরার অংশ। এখানে কোনও বেটিং হয়না।













