৩৭ হাজার বছর পুরনো বাঁশের হাত ধরে বাঁশের ধারনা বদলে দিলেন ভারতীয় বিজ্ঞানীরা
বাঁশ সম্বন্ধে গোটা বিশ্বের একটা ধারনা রয়েছে। সে ধারনা কার্যত আমূল বদলে দিলেন ভারতীয় বিজ্ঞানীরা। বাঁশ সম্বন্ধে বিশ্বকে দিলেন অন্য চমকপ্রদ তথ্য।
ফের বিশ্বকে নতুন তথ্য উপহার দিলেন ভারতীয় বিজ্ঞানীরা। মণিপুরের ইম্ফল উপত্যকায় ভারতীয় বিজ্ঞানীরা বাঁশের জীবাশ্মের খোঁজ পেয়েছেন। যে জীবাশ্মগুলি পরীক্ষা করে দেখা গেছে সেগুলি ৩৭ হাজার বছর পুরনো বাঁশের জীবাশ্ম।
সে সময় তুষার যুগ চলছিল। যে বাঁশগুলির খোঁজ পাওয়া গিয়েছে সেগুলির গায়ে রয়েছে নিজেদের সুরক্ষা বন্দোবস্ত। বাঁশের গা কাঁটাযুক্ত। যাতে সেগুলিকে অন্য কোনও প্রাণি খেতে না পারে।
এই বাঁশগুলি নিজেদের সুরক্ষা বন্দোবস্তের ব্যবস্থা নিজেরাই করে নিয়েছিল। সবচেয়ে বড় ব্যাপার, সেগুলি সে সময় বহাল তবিয়তে বেঁচে ছিল। কীভাবে? তখন তো তুষার যুগ!
বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, সে সময় ভারতের এই পূর্বাঞ্চলের আবহাওয়া কেমন ছিল তা এ থেকেই পরিস্কার। তখনও এই অঞ্চল বেশ গরম ছিল। তাই বাঁশগাছগুলি বড় হয়েছে। সংসার পেতেছে।
বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, বাঁশের যেহেতু ভিতরটা ফাঁপা হয় এবং তাতে প্রচুর তন্তু থাকে তাই বাঁশ খুব দ্রুত পচেও যায়। কিন্তু এই বাঁশগাছগুলি তেমন পচনশীল ছিলনা।
বিজ্ঞানীদের যেটা সবচেয়ে অবাক করছে সেটা হল এই কাঁটাযুক্ত বাঁশের জীবাশ্ম প্রমাণ করল তুষার যুগেও বাঁশগাছ এই অঞ্চলে কীভাবে নিজেদের বাঁচিয়ে রেখেছিল। যা বাঁশগাছ সম্বন্ধে নতুন তথ্য তো দিলই, সেই সঙ্গে ৩৭ হাজার বছর আগে ভারতের পূর্ব প্রান্তের মণিপুর সহ চারধারের আবহাওয়া কেমন ছিল সেটাও বিজ্ঞানীদের জানতে সাহায্য করল এই বাঁশের জীবাশ্মের সন্ধান।













