National

নিজের রাজ্য ছেড়ে পাশের রাজ্যের অংশ হতে চেয়ে সরকারকে চিঠি দিল ৫৫টি গ্রাম

তাঁরা তাঁদের বর্তমান রাজ্যের সঙ্গে যুক্ত থাকতে রাজি নন। পাশের রাজ্যের অংশ হতে চাইছেন তাঁরা। কারণও রয়েছে। এই মর্মে সরকারকে চিঠি দিলেন ৫৫টি গ্রামের মানুষ।

গ্রামগুলি সবই ২ রাজ্যের সীমান্তে অবস্থিত। তবে সেগুলি একটি রাজ্যের অংশই হতে পারে। তাই রয়েছে। ৫৫টি গ্রাম কিন্তু তাদের বর্তমান রাজ্যে থাকতে একেবারেই রাজি নয়। লাগোয়া রাজ্যের গ্রামগুলির উন্নয়ন তাদের মধ্যে একটা ক্ষোভ তৈরি করেছে।


সীমান্তবর্তী গ্রামগুলি চোখের সামনে দেখছে পাশেই অন্য রাজ্যের গ্রামগুলি উন্নত হচ্ছে। কিন্তু তাদের উন্নয়ন হচ্ছেনা। সেটা তারা মেনে নিতে পারছেনা। তাদের অভিযোগ তাদের সরকার গ্রামোন্নয়নে কোনও পদক্ষেপই করছেনা।

এই ২ রাজ্য হল মহারাষ্ট্র ও গুজরাট। মহারাষ্ট্রের নাসিক জেলার সুরগানা তালুকের আওতায় থাকা ৫৫টি গ্রাম লেপ্টে আছে গুজরাট মহারাষ্ট্র সীমান্তে।



এই ৫৫টি গ্রামের মানুষ এখন চাইছেন তাঁরা আর মহারাষ্ট্রের অংশ হিসাবে থাকতে চান না। গুজরাটের সঙ্গে তাঁদের গ্রামগুলি মিশে গেলে তাঁদের প্রভূত উন্নয়ন আশা করছেন তাঁরা।

প্রসঙ্গত গুজরাটে যেখানে বিজেপি সরকার রয়েছে, সেখানে মহারাষ্ট্রে সরকারের অংশ বিজেপি। এই অবস্থায় ৫৫টি গ্রামের এভাবে মহারাষ্ট্র থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গুজরাটের সঙ্গে মিশে যাওয়ার দাবি মহারাষ্ট্রে সরকারকে অনেকটাই অস্বস্তিতে ফেলে দিল।

এই বিচ্ছিন্ন হতে চেয়ে যে স্মারকলিপি তৈরি হয়েছে তা বংশদা ডেপুটি কালেক্টরের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে সুরগানা তালুক সংঘর্ষ কমিটি-র তরফে। যে স্মারকলিপি প্রশাসনের হাতে আসার পর তা রাজ্যসরকারের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা

Show More

News Desk

নীলকণ্ঠে যে খবর প্রতিদিন পরিবেশন করা হচ্ছে তা একটি সম্মিলিত কর্মযজ্ঞ। পাঠক পাঠিকার কাছে সঠিক ও তথ্যপূর্ণ খবর পৌঁছে দেওয়ার দায়বদ্ধতা থেকে নীলকণ্ঠের একাধিক বিভাগ প্রতিনিয়ত কাজ করে চলেছে। সাংবাদিকরা খবর সংগ্রহ করছেন। সেই খবর নিউজ ডেস্কে কর্মরতরা ভাষা দিয়ে সাজিয়ে দিচ্ছেন। খবরটিকে সুপাঠ্য করে তুলছেন তাঁরা। রাস্তায় ঘুরে স্পট থেকে ছবি তুলে আনছেন চিত্রগ্রাহকরা। সেই ছবি প্রাসঙ্গিক খবরের সঙ্গে ব্যবহার হচ্ছে। যা নিখুঁতভাবে পরিবেশিত হচ্ছে ফোটো এডিটিং বিভাগে কর্মরত ফোটো এডিটরদের পরিশ্রমের মধ্যে দিয়ে। নীলকণ্ঠ.in-এর খবর, আর্টিকেল ও ছবি সংস্থার প্রধান সম্পাদক কামাখ্যাপ্রসাদ লাহার দ্বারা নিখুঁত ভাবে যাচাই করবার পরই প্রকাশিত হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button