National

স্ত্রীকে বেচে অন্যের সঙ্গে বিয়ে দিয়ে বাড়ি ফিরল স্বামী

এক সদ্যবিবাহিতা তরুণীকে বেচে দিল তাঁর স্বামী। তাঁকে শুধু বিক্রি করে দেওয়াই নয়, তাঁর সঙ্গে ওই ব্যক্তির বিয়েও দিয়ে দেয় সে।

১ বছরও হয়নি তাদের বিয়ে হয়েছে। তরুণীর বাবা অর্থকষ্টের মধ্যেও মেয়ের বিয়ে দেন। বিয়ের কিছুদিন পর স্ত্রীকে নিয়ে দিল্লি চলে যায় ওই যুবক। সেখানে তারা একসঙ্গে কাজ করবে বলে বাড়িতে জানিয়ে যায়। তেমনটাই জানতেন তরুণীর বাবাও।

স্বামীর হাত ধরে বিনা বাক্য ব্যয়ে পূর্ণিমা নামে ওই তরুণী দিল্লি পৌঁছে যান। কিন্তু তখনও তিনি জানতেন না কি মতলবে তাঁকে দিল্লি নিয়ে এসেছে তাঁর স্বামী। কি নিদারুণ অভিজ্ঞতা অপেক্ষা করছে তাঁর জন্য।

দিল্লিতে পৌঁছে তারা একসঙ্গে কাজ করার কথা বললেও সে উদ্যোগ দেখা যায়নি যুবকের মধ্যে। বরং সে পূর্ণিমাকে নিয়ে যায় এক ব্যক্তির কাছে। সেখানে নিজের স্ত্রীকে বেচে দেয় টাকার বিনিময়ে।

শুধু বেচে দেওয়াই নয়, সেখানে থেকে ওই ব্যক্তির সঙ্গে পূর্ণিমার বিয়েও দিয়ে দেয়। তারপর স্ত্রীকে বিক্রি করে পাওয়া টাকা নিয়ে ফিরে আসে ওড়িশার কালাহান্ডিতে তার নিজের বাড়িতে।

পূর্ণিমা এই অবস্থায় কোনও রকমে তাঁর বাবাকে একটা ফোন করতে পারেন। বাবাকে ফোনে সব জানান। কিন্তু তিনি কোথায় আছেন সে ঠিকানা তিনি দিতে পারেননি।

তরুণীর বাবা বুঝতে পারেন জামাই আসলে কি উদ্দেশ্যে মেয়েকে নিয়ে দিল্লি পাড়ি দিয়েছিল। তিনি পুলিশকে সব জানান। পুলিশ তদন্তে নেমে ক্ষীরা বেরুক নামে ওই যুবককে গ্রেফতার করে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পূর্ণিমাকে ফেরাতে চাইছে পুলিশ। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা

Show More

News Desk

নীলকণ্ঠে যে খবর প্রতিদিন পরিবেশন করা হচ্ছে তা একটি সম্মিলিত কর্মযজ্ঞ। পাঠক পাঠিকার কাছে সঠিক ও তথ্যপূর্ণ খবর পৌঁছে দেওয়ার দায়বদ্ধতা থেকে নীলকণ্ঠের একাধিক বিভাগ প্রতিনিয়ত কাজ করে চলেছে। সাংবাদিকরা খবর সংগ্রহ করছেন। সেই খবর নিউজ ডেস্কে কর্মরতরা ভাষা দিয়ে সাজিয়ে দিচ্ছেন। খবরটিকে সুপাঠ্য করে তুলছেন তাঁরা। রাস্তায় ঘুরে স্পট থেকে ছবি তুলে আনছেন চিত্রগ্রাহকরা। সেই ছবি প্রাসঙ্গিক খবরের সঙ্গে ব্যবহার হচ্ছে। যা নিখুঁতভাবে পরিবেশিত হচ্ছে ফোটো এডিটিং বিভাগে কর্মরত ফোটো এডিটরদের পরিশ্রমের মধ্যে দিয়ে। নীলকণ্ঠ.in-এর খবর, আর্টিকেল ও ছবি সংস্থার প্রধান সম্পাদক কামাখ্যাপ্রসাদ লাহার দ্বারা নিখুঁত ভাবে যাচাই করবার পরই প্রকাশিত হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button