National

সাপের ছোবলে মৃত দাদার অন্ত্যেষ্টিতে এসে সাপের ছোবলেই মৃত ভাই

দাদা সাপের ছোবলে মারা গেছেন। সেই কষ্ট বুকে করেই তাঁর অন্ত্যেষ্টিতে পৌঁছেছিলেন ছোট ভাই। কিন্তু সেখানে‌ সেই সাপের ছোবলেই মৃত্যু হল ভাইয়েরও।

দাদা সাপের ছোবলে মারা গেছেন। এ খবর পাওয়ার পর আর স্থির থাকতে পারেননি ভাই ও এক তুতোভাই। ২ জনই বাইরে কাজ করেন। তাঁরা সময় নষ্ট না করে ছুটে আসেন গ্রামে। সেখানে তাঁরা পৌঁছনোর পর দাদার অন্ত্যেষ্টি ক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর শোকতপ্ত ২ ভাই বাড়িতে ফিরে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন। আর ঠিক তখনই ফের বাড়িতে সাপের হানার ঘটনা ঘটে।


মৃতের ভাই ও তুতোভাই ২ জনকেই ছোবল মারে সাপটি। মৃতের ভাইকে বাঁচানো না গেলেও সঠিক সময়ে তুতোভাইকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ায় তাঁর প্রাণ বেঁচে যায়।

একই পরিবারের ৩ ভাই একের পর এক সাপের ছোবল খাওয়ার পর গোটা পরিবারে এখন শ্মশানের নিস্তব্ধতা নেমে এসেছে। দাদার পর ভাইয়েরও অন্ত্যেষ্টি সম্পন্ন হয়েছে।



ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের ভবানীপুরে। গ্রামে থাকতেন অরবিন্দ মিশ্র। বছর ৩৮-এর অরবিন্দ সাপের ছোবলে মারা যাওয়ার পর হরিয়ানায় কর্মরত তাঁর ভাই গোবিন্দ মিশ্র এবং তুতোভাই চন্দ্রশেখর পাণ্ডে গ্রামে ফেরেন দাদার অন্ত্যেষ্টিতে যোগ দিতে। তারপর ওই ২ তরুণও একইভাবে সাপের ছোবলের শিকার হন।

পুরো ঘটনায় চন্দ্রশেখর পাণ্ডে কোনওক্রমে রক্ষা পেয়েছেন। সাপ ছোবল বসলেও প্রাণে বেঁচে গেছেন তিনি। একই সাপ এঁদের ৩ জনকেই ছোবল মেরেছে কিনা তা জানা যায়নি। তবে একই পরিবারের একের পর এক ছেলেকে এভাবে সাপে কাটা গ্রামে বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা

News Desk

নীলকণ্ঠে যে খবর প্রতিদিন পরিবেশন করা হচ্ছে তা একটি সম্মিলিত কর্মযজ্ঞ। পাঠক পাঠিকার কাছে সঠিক ও তথ্যপূর্ণ খবর পৌঁছে দেওয়ার দায়বদ্ধতা থেকে নীলকণ্ঠের একাধিক বিভাগ প্রতিনিয়ত কাজ করে চলেছে। সাংবাদিকরা খবর সংগ্রহ করছেন। সেই খবর নিউজ ডেস্কে কর্মরতরা ভাষা দিয়ে সাজিয়ে দিচ্ছেন। খবরটিকে সুপাঠ্য করে তুলছেন তাঁরা। রাস্তায় ঘুরে স্পট থেকে ছবি তুলে আনছেন চিত্রগ্রাহকরা। সেই ছবি প্রাসঙ্গিক খবরের সঙ্গে ব্যবহার হচ্ছে। যা নিখুঁতভাবে পরিবেশিত হচ্ছে ফোটো এডিটিং বিভাগে কর্মরত ফোটো এডিটরদের পরিশ্রমের মধ্যে দিয়ে। নীলকণ্ঠ.in-এর খবর, আর্টিকেল ও ছবি সংস্থার প্রধান সম্পাদক কামাখ্যাপ্রসাদ লাহার দ্বারা নিখুঁত ভাবে যাচাই করবার পরই প্রকাশিত হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button