গরমে পশুদের জন্য চিড়িয়াখানায় এলাহি আয়োজন

প্রবল গরমে হিমসিম খাচ্ছে ভারতের একটা বড় অংশ। পারদ ক্রমশ চড়ছে। এই অবস্থায় মানুষের পাশাপাশি পশুদের হালও বেহাল। তাদের জন্য ঢালাও আয়োজন হল।

ফাইল : লখনউ চিড়িয়াখানায় বাঘ, ছবি - আইএএনএস

পারদ ক্রমশ তার দাপট বাড়াচ্ছে। যার জেরে মানুষজনের বেহাল দশা। বেহাল দশা পশুপাখিদেরও। যারা প্রকৃতির বুকে ঘুরে বেড়াচ্ছে তাদের জন্য আলাদা করে কোনও বন্দোবস্ত করার উপায় নেই। তারা গরম থেকে বাঁচার রাস্তা নিজেরাই খুঁজে নেয়। কিন্তু যেসব পশুপাখি চিড়িয়াখানার ঘেরাটোপে বন্দি? তাদের গরম থেকে রেহাই মিলবে কীভাবে?

তারই উপায় বার করতে গিয়ে এলাহি আয়োজন করল লখনউ চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ। চিড়িয়াখানার পশুপাখিদের জন্য এল কুলার, খসখসসহ নানা খাবারদাবার।

প্রবল গরমে এখন লখনউ চিড়িয়াখানায় এমনিতেই পর্যটকের দেখা নেই। এই সুযোগে চিড়িয়াখানার অধিকাংশ পাখির খাঁচা খসখস দিয়ে ঢেকে দিয়েছে চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ।

সেই খসখস ভিজিয়ে দিয়ে গরম হাওয়াকে খাঁচার মধ্যে ঢোকা থেকে আটকে রাখার চেষ্টা চলছে। সেইসঙ্গে পশুপাখিদের খাঁচায় পাইপ দিয়ে জল দেওয়া হচ্ছে। যাতে খাঁচার ভিতরের অংশ ঠান্ডা থাকে।

বাঘ, সিংহ, শিম্পাঞ্জি ও ভাল্লুকের খাঁচায় বসানো হয়েছে কুলার। যা চালিয়ে তাদের প্রবল দাবদাহের হাত থেকে বাঁচানোর চেষ্টা করছে চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ। এছাড়া যেসব পাখি একেবারেই গরম সহ্য করতে পারে না তাদের জন্যও বিশেষ ব্যবস্থা নিয়েছে তারা।

শুধু জল কুলার বা খসখস দিয়েই নয়, যাতে পশুদের শরীর ঠান্ডা থাকে তারও ব্যবস্থা করা হয়েছে। তাদের খাবারের তালিকা থেকে ডিম বাদ দেওয়া হয়েছে। সেখানে বেশি করে তরমুজ ও শসা দেওয়া হচ্ছে। যাতে সরাসরি সূর্যের তেজ তাদের গায়ে না পড়ে সেজন্য অধিকাংশ খাঁচাই ঢেকে রাখা হয়েছে। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা