National

এবার বসতে চলেছে লক্ষ্মণের অতিকায় মূর্তি

ভগবান রামের সঙ্গে যে নামটি ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে থাকে তা হল তাঁর ভাই লক্ষ্মণের। লক্ষ্মণকেও ভগবান হিসাবেই দেখা হয়। তাঁরই অতিকায় মূর্তি এবার বসতে চলেছে।

লখনউ : রাম, সীতা, লক্ষ্মণ। এই ৩টি নাম এ দেশে একসঙ্গেই প্রায় উচ্চারিত হয়ে থাকে। রাম-সীতার মূর্তি অনেক মন্দিরে পূজিত হয়। লক্ষ্মণ ছিলেন তাঁদের ছায়াসঙ্গী।

এবার ভগবান রামের ভাই লক্ষ্মণের মূর্তি বসতে চলেছে ভারতের অন্যতম প্রাচীন শহরের বুকে। তাও আবার ১৫১ ফুটের। ফলে অনুমেয় যে মূর্তিটি অতিকায় হতে চলেছে। যা বসলে তা শহরের অন্যতম দ্রষ্টব্য হয়ে উঠবে অচিরেই।

লখনউ পুরসভা তাদের শহরে এই মূর্তি বসানো নিয়ে বিশেষ বৈঠক করেছে। সেই বৈঠকের পর লখনউয়ের মেয়র সংযুক্তা ভাটিয়া জানান, ভগবান লক্ষ্মণ তৈরি করেছিলেন লখনউ শহর। লখনউ পুরসভার তরফে তাই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে লখনউ শহরে ভগবান লক্ষ্মণের একটি মূর্তি প্রতিষ্ঠিত করা হবে। যা তৈরি করতে ১ কোটি টাকা আপাতত বরাদ্দ করা হয়েছে। তবে মেয়র এও জানিয়েছেন, টাকা যদি আরও লাগে তা পুরসভার তরফে দিয়ে দেওয়া হবে।

মূর্তি তৈরি করতে ইতিমধ্যেই রাজস্থান, লখনউ সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তের স্বনামধন্য ভাস্করদের সঙ্গে যোগাযোগ করা শুরু করেছে পুরসভা। কেমন হবে মূর্তিটি তা নিয়ে আলোচনা চলছে। তা নিশ্চিত হলেই কাজ শুরু হবে।


তবে শুধু মূর্তিতেই সীমাবদ্ধ থাকছে না লখনউ পুরসভা। শহরে একটি গ্যালারিও তৈরি করা হচ্ছে। যেখানে ভগবান লক্ষ্মণের জীবনের কাহিনি, আত্মত্যাগ, ভগবান রামের প্রতি তাঁর ভক্তি, তাঁর নৈতিকতা এবং তাঁর সাদামাটা জীবনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হবে। এখানে বহু মানুষ ভগবান লক্ষ্মণ সম্বন্ধে, তাঁর জীবন সম্বন্ধে নানা বিষয় জানতে পারবেন।

শহরের যেখানে এই মূর্তি প্রতিষ্ঠা করা হবে সেখানে প্রতিদিন ভগবান লক্ষ্মণের জীবন নিয়ে একটি লাইট অ্যান্ড সাউন্ড অনুষ্ঠানও আয়োজন করবে লখনউ পুরসভা। যা প্রতিদিন দেখানো হবে। যার হাত ধরে মানুষ আরও ভাল করে ভগবান লক্ষ্মণ সম্বন্ধে জানতে পারবেন। অন্যদিকে দেশের আদি সংস্কৃতিও মানুষের সামনে তুলে ধরা যাবে এর মধ্যে দিয়ে। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা

Show Full Article
Back to top button