SciTech

মঙ্গলগ্রহের মাটিতে জৈব নুন, জোড়াল প্রাণের অস্তিত্বের ইঙ্গিত

মঙ্গলগ্রহের মাটিতে মিশে আছে জৈব নুন। এমনই মনে করছে নাসা। আর তা থাকা মানে এক সময় মঙ্গলে প্রাণের অস্তিত্ব ছিল বলেই মনে করছেন বিজ্ঞানীরা।

মঙ্গলে কী জল ছিল? মঙ্গলে কী কখনও প্রাণের অস্তিত্ব ছিল? এ প্রশ্ন এখনও সকলকে নাড়া দেয়। জলের অস্তিত্ব থাকার বিষয়েও যেমন অনেক সদর্থক ইঙ্গিত বিজ্ঞানীরা পেয়েছেন, তেমনই প্রাণ থাকার বিষয়েও মিলেছে নানা তথ্য।


যদিও প্রাণ যে ছিলই এখনও তা নিশ্চিত করে বলে উঠতে পারেননি বিজ্ঞানীরা। তবে ইঙ্গিত পেয়েই চলেছেন তাঁরা। বিশেষত মঙ্গলে পাঠানো যান কিউরিওসিটি-র থেকে পাওয়া নানা তথ্য বিজ্ঞানীদের মঙ্গল সম্বন্ধে এমন এমন তথ্য দিয়েছে যা তাঁদের পূর্বতন ধারণাকেই আমূল বদলে দিয়েছে।

সেই কিউরিওসিটি এবার ইঙ্গিত দিচ্ছে যে মঙ্গলের মাটিতে মিশে আছে জৈব নুন। আয়রন, ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম অক্সালেট কণা রূপে এই জৈব নুন ছড়িয়ে আছে লালগ্রহের মাটিতে।



কিউরিওসিটি-র পেটে রয়েছে একটি রসায়ন গবেষণাগার। সেখানেই মাটি পরীক্ষা করে তেমন ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছে বলে জানাচ্ছে নাসা।

বিজ্ঞানীরা মনে করছেন যদি জৈব নুন পাওয়া যায় তাহলে বুঝতে হবে যে সেখানে কোনও সময় প্রাণের অস্তিত্ব হয়তো ছিল।

তাঁরা এও মনে করছেন যদি লালগ্রহের কোথাও এই জৈব নুন বেশি মাত্রায় পাওয়া যায় তাহলে সেখানে মাটি কিছুটা খুঁড়ে সেখান থেকে মাটি পরীক্ষা করলে তাতে প্রাণের অস্তিত্বের খোঁজ আরও বেশি করে পাওয়া যেতে পারে। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা

Show More

News Desk

নীলকণ্ঠে যে খবর প্রতিদিন পরিবেশন করা হচ্ছে তা একটি সম্মিলিত কর্মযজ্ঞ। পাঠক পাঠিকার কাছে সঠিক ও তথ্যপূর্ণ খবর পৌঁছে দেওয়ার দায়বদ্ধতা থেকে নীলকণ্ঠের একাধিক বিভাগ প্রতিনিয়ত কাজ করে চলেছে। সাংবাদিকরা খবর সংগ্রহ করছেন। সেই খবর নিউজ ডেস্কে কর্মরতরা ভাষা দিয়ে সাজিয়ে দিচ্ছেন। খবরটিকে সুপাঠ্য করে তুলছেন তাঁরা। রাস্তায় ঘুরে স্পট থেকে ছবি তুলে আনছেন চিত্রগ্রাহকরা। সেই ছবি প্রাসঙ্গিক খবরের সঙ্গে ব্যবহার হচ্ছে। যা নিখুঁতভাবে পরিবেশিত হচ্ছে ফোটো এডিটিং বিভাগে কর্মরত ফোটো এডিটরদের পরিশ্রমের মধ্যে দিয়ে। নীলকণ্ঠ.in-এর খবর, আর্টিকেল ও ছবি সংস্থার প্রধান সম্পাদক কামাখ্যাপ্রসাদ লাহার দ্বারা নিখুঁত ভাবে যাচাই করবার পরই প্রকাশিত হয়।
Back to top button