World

হিমবাহে ফাটল বাড়ছে, বরফের চাঁই খসে পড়ছে, সরছে এভারেস্ট বেস ক্যাম্প

এভারেস্ট বেস ক্যাম্পে প্রতিবছর বহু পর্বতারোহী অস্থায়ী ক্যাম্পে থাকেন। সেখানেই এখন চিন্তার ভ্রুকুটি। হিমবাহে ফাটল বাড়ছে। মাঝেমাঝেই খসে পড়ছে বরফের চাঁই।

যাঁরা এভারেস্ট জয়ের স্বপ্ন নিয়ে নেপালে হাজির হন তাঁরা এভারেস্টের দিকে এগিয়ে যান বেস ক্যাম্পে পা রেখে। এভারেস্টে ওঠার সময় প্রতিবছর বেস ক্যাম্পে হাজির হন কম করে দেড় হাজার পর্বতারোহী।

সেখানে অস্থায়ী তাঁবু খাটিয়ে থাকেন তাঁরা। তাঁরাই জানিয়েছেন যে রাতের দিকে তাঁদের তাঁবুর ওপর বরফের চাঁই এসে পড়ে। স্পষ্ট বুঝতে পারেন বেস ক্যাম্পের হিমবাহে ফাটল বড় হচ্ছে। যা তাঁদের রাতের ঘুম কেড়ে নিচ্ছে।

১৯৫০ সালে এভারেস্ট জয়ের স্বপ্ন নিয়ে আসা পর্বতারোহীদের জন্য ৫ হাজার ৪০০ মিটার উচ্চতায় এই বেস ক্যাম্প তৈরি হয়েছিল খুম্বু এলাকায়। যেখানে একটি হিমবাহ রয়েছে। যা বিশ্ব উষ্ণায়ন এবং প্রতিবছর বরফের ওপর মানুষের উপস্থিতির কারণে গলতে গলতে এখন অনেকটাই পাতলা হয়ে গেছে।

ফলে তাতে ফাটল ধরছে। এতে আগামী দিনে পর্বতারোহীদের জীবনের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। তাই এবার বেস ক্যাম্পটাই ওখান থেকে সরানোর কথা ভাবনা চিন্তা শুরু করেছে নেপাল সরকার।

যদিও একথা নেপাল সরকারের তরফে স্বীকার করা হয়নি। তবে নেপাল পর্যটন বিভাগের এক উচ্চপদস্থ আধিকারিক একথা একটি প্রথমসারির সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন যে এভারেস্ট বেস ক্যাম্প সরানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। তা বর্তমান উচ্চতা থেকে প্রায় ৪০০ মিটার নামিয়ে আনা হতে পারে।

যদিও নেপাল সরকার জানাচ্ছে এসব সংবাদমাধ্যমে প্রচারিত হলেও বেস ক্যাম্প সরানোর পরিকল্পনা নেই। বরফের চাঁই খসলে পর্বতারোহীদের তখনকার মত সরিয়ে আনা হবে। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা

Show More

News Desk

নীলকণ্ঠে যে খবর প্রতিদিন পরিবেশন করা হচ্ছে তা একটি সম্মিলিত কর্মযজ্ঞ। পাঠক পাঠিকার কাছে সঠিক ও তথ্যপূর্ণ খবর পৌঁছে দেওয়ার দায়বদ্ধতা থেকে নীলকণ্ঠের একাধিক বিভাগ প্রতিনিয়ত কাজ করে চলেছে। সাংবাদিকরা খবর সংগ্রহ করছেন। সেই খবর নিউজ ডেস্কে কর্মরতরা ভাষা দিয়ে সাজিয়ে দিচ্ছেন। খবরটিকে সুপাঠ্য করে তুলছেন তাঁরা। রাস্তায় ঘুরে স্পট থেকে ছবি তুলে আনছেন চিত্রগ্রাহকরা। সেই ছবি প্রাসঙ্গিক খবরের সঙ্গে ব্যবহার হচ্ছে। যা নিখুঁতভাবে পরিবেশিত হচ্ছে ফোটো এডিটিং বিভাগে কর্মরত ফোটো এডিটরদের পরিশ্রমের মধ্যে দিয়ে। নীলকণ্ঠ.in-এর খবর, আর্টিকেল ও ছবি সংস্থার প্রধান সম্পাদক কামাখ্যাপ্রসাদ লাহার দ্বারা নিখুঁত ভাবে যাচাই করবার পরই প্রকাশিত হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button