একটা দ্বীপ। সেখানেই গবেষকেরা কাজ করছিলেন। সেখানকার প্রাণিদের আচরণ নিরন্তর এবং খুব সন্তর্পণে নজর করছিলেন। সেটা করতে গিয়ে তাঁদের যা নজরে এল তা তাঁদের অভিভূত করেছে। অবাক করেছে। কোনও প্রাণির বুদ্ধি সম্বন্ধে ধারনা বদলে দিয়েছে।
সেখানে তাঁরা ২টি ছোট স্ত্রী ব়্যাকুনকে খেলতে দেখেন। তারা খেলতে খেলতে কয়েকটি কাগজ দেখতে পায়। সেই কাগজ নিয়ে তারা ছিঁড়ে ফেলার চেষ্টা করেনি। বরং তা সংগ্রহ করে সেগুলিকে জলে ভিজিয়ে নেয়।
গবেষকেরা দেখেন কাগজ ভিজিয়ে নিয়ে সেই ভেজা কাগজ প্রথমে কিছুটা চটকে ফেলে ২ জনে। তারপর তা বালির ওপর ফেলে গড়াতে থাকে। যাতে সেটি বালির সঙ্গে মিশে একটি বলের আকার নেয়। সেটা হয়। বালিতে গড়ানোর ফলে ভেজা কাগজ বলের আকার নেয়। বল তৈরি হলে ২ জনে সেই বল নিয়ে খেলা শুরু করে দেয়।
মানুষ কাগজ দিয়ে বল বানাতে পারে। তা বলে বিশ্বের অন্যতম লুপ্তপ্রায় প্রাণি হিসাবে পরিচিত পিগমি ব়্যাকুনও যে তা পারে তা না দেখলে বোধহয় বিজ্ঞানীরা বিশ্বাস করতে পারতেন না।
মায়ামি বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন গবেষক মেক্সিকোর কজুমেল দ্বীপে পিগমি ব়্যাকুনদের আচরণ নিয়ে কাজ করার সময় পিগমি ব়্যাকুনদের এই অসামান্য বুদ্ধির পরিচয় পান।
কাগজ ভিজিয়ে তাকে চটকে বালির ওপর গড়িয়ে যে বল বানানো যায় এটা যে তাদের জানা তাও জানতে পেরেছেন বিজ্ঞানীরা। কারণ এমনভাবে বল তৈরি একবার নয়, এ দ্বীপে কাজ করার সময় অনেকবার লক্ষ্য করেছেন তাঁরা।