State

বাঘের খাস ডেরা পেতে চলেছে নতুন পরিচয়

বাঘদের খাস ডেরা এবার এক নতুন পরিচয়ে পরিচিত হতে চলেছে। এতদিন এ নিয়ে কানাঘুষো চললেও এবার তা কার্যত নিশ্চিত হয়ে গেল।

রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারের কথা বললেই যে গহন অরণ্য, জালের মত ছড়িয়ে থাকা খাঁড়ি, কুমির এবং অন্য জন্তু জানোয়ারের উপস্থিতি ভরা বিস্তীর্ণ এলাকা চোখের সামনে ভেসে ওঠে তা সুন্দরবন নামে পরিচিত।

পশ্চিমবঙ্গের এই বাঘের ডেরা বিশ্বখ্যাত। যেখানে দেশের জাতীয় পশুর নিশ্চিন্ত বিচরণ। রাজ্যের দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও উত্তর ২৪ পরগনা-র অংশ নিয়ে তৈরি সুন্দরবন।

এই সুন্দরবন বিপদসংকুল জঙ্গলের জন্য বিখ্যাত হলেও এখানে বহু মানুষের বাস। যাঁদের প্রশাসনিক সুবিধা পেতে অনেক পথ অতিক্রম করতে হয়। বাঘের উপদ্রব তো আছেই, সেইসঙ্গে বারবার সামাল দিতে হয় ঝড়ের ঝাপটা, প্রাকৃতিক দুর্যোগ।

এবার সেই সুন্দরবনের ভোল বদলে ফেলার উদ্যোগের কথা জানিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। হিঙ্গলগঞ্জে একটি প্রশাসনিক সভা থেকে তিনি জানিয়ে দেন দ্রুত একটি নতুন জেলা হিসাবে আত্মপ্রকাশ করতে চলেছে সুন্দরবন।

একবার সুন্দরবন আলাদা জেলা হয়ে গেলে এখানকার মানুষ বিভিন্ন পরিষেবা ও সুযোগ সুবিধা সহজে ভোগ করতে পারবেন। উন্নয়নও পালে হাওয়া পাবে।

সুন্দরবনে এখন ১৯টি ব্লক ও ১৬টি থানা রয়েছে। ১৯টির মধ্যে ৬টি ব্লক উত্তর ২৪ পরগনায়। বাকিগুলো দক্ষিণ ২৪ পরগনায়। এগুলি একসঙ্গে করে সুন্দরবন নতুন জেলা হিসাবে আত্মপ্রকাশ করলে তা হবে রাজ্যের ২৪ তম জেলা।

সুন্দরবনের অমোঘ টান বহু দেশবিদেশের পর্যটকদের টেনে আনে এখানে। তবে পর্যটন পরিকাঠামো শক্তিশালী না হওয়ায় স্থানীয় মানুষ পর্যটন থেকে অর্থ উপার্জনের পথ পাচ্ছেন না।

সুন্দরবন জেলা হওয়ার পর সেখানে পর্যটনে বিশেষ গুরুত্বের কথাও জানান মুখ্যমন্ত্রী। তাছাড়া সুন্দরবনের উন্নয়নে কেন্দ্রের সহযোগিতা প্রয়োজন বলেও জানান তিনি।

Show More

News Desk

নীলকণ্ঠে যে খবর প্রতিদিন পরিবেশন করা হচ্ছে তা একটি সম্মিলিত কর্মযজ্ঞ। পাঠক পাঠিকার কাছে সঠিক ও তথ্যপূর্ণ খবর পৌঁছে দেওয়ার দায়বদ্ধতা থেকে নীলকণ্ঠের একাধিক বিভাগ প্রতিনিয়ত কাজ করে চলেছে। সাংবাদিকরা খবর সংগ্রহ করছেন। সেই খবর নিউজ ডেস্কে কর্মরতরা ভাষা দিয়ে সাজিয়ে দিচ্ছেন। খবরটিকে সুপাঠ্য করে তুলছেন তাঁরা। রাস্তায় ঘুরে স্পট থেকে ছবি তুলে আনছেন চিত্রগ্রাহকরা। সেই ছবি প্রাসঙ্গিক খবরের সঙ্গে ব্যবহার হচ্ছে। যা নিখুঁতভাবে পরিবেশিত হচ্ছে ফোটো এডিটিং বিভাগে কর্মরত ফোটো এডিটরদের পরিশ্রমের মধ্যে দিয়ে। নীলকণ্ঠ.in-এর খবর, আর্টিকেল ও ছবি সংস্থার প্রধান সম্পাদক কামাখ্যাপ্রসাদ লাহার দ্বারা নিখুঁত ভাবে যাচাই করবার পরই প্রকাশিত হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button