Lifestyle

পর্যটকদের স্বাগত জানাতে তৈরি বিলাসবহুল তাঁবুর শহর

পর্যটকদের জন্য বিলাসবহুল বন্দোবস্তের অভাব নেই। তবে থাকতে হবে তাঁবুতে। সেটাও একটা অন্যরকম আনন্দ। পরপর তাঁবু বিছিয়ে তৈরি হল নতুন ভাবনার শহর।

সারি দিয়ে একটি নির্দিষ্ট ফাঁক রেখে পরপর তাঁবু। তাঁবু কেমন হয় তা কমবেশি সকলেরই জানা। তা যে অস্থায়ী এবং পাকা বাড়ির মত হয়না তাও জানা। কিন্তু সে তাঁবুতে বিলাসবহুল ব্যবস্থার অভাব নেই। কাঠের পাটাতনের ওপর তাঁবুগুলি খাটানো হয়েছে। রীতিমত শক্তপোক্ত তাঁবু।

এমনভাবে সারি দিয়ে তাঁবু খাটিয়ে তৈরি করা হয়েছে একটা আস্ত শহর। যাকে বলা হচ্ছে তাঁবুর শহর। যেখানে তাঁবুর মধ্যে থাকছে শোওয়ার সুব্যবস্থা। এছাড়া থাকছে সোফা, চেয়ার, খাওয়ার জন্য আলাদা ডাইনিং স্পেস, ঘর গরম রাখার জন্য রুম হিটার, আবার ঠান্ডা রাখার জন্য এয়ার কন্ডিশনার মেশিন, নিজস্ব ভল্ট।

তাঁবুর ভিতরটায় চোখ ধাঁধানো সাজসজ্জা। এছাড়া গতিসম্পন্ন ইন্টারনেট পরিষেবাও থাকছে তাঁবুতে। পর্যটকদের কথা মাথায় রেখেই এই তাঁবুর শহর তৈরি করা হয়েছে। মনোরঞ্জনের কথা মাথায় রেখে থাকছে বন ফায়ার, খোলা মঞ্চে থিয়েটার, সাংস্কৃতিক নানা অনুষ্ঠান।

পর্যটকদের খাবারও ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। খাবারের তালিকায় থাকছে একান্ত ভারতীয় খাবারের ছোঁয়া। থাকছে বাজরার রুটি, মটর কি নিমোরা, বাটি চোখা, মুগ ডালের খিচুরি, মিলেটের বিভিন্ন পদ, মক্কি কি রোটি, সরষো কা শাগ, মরসুমি আনাজর নানা ধরনের তরকারির মত খাবার।


তবে এখানেই শেষ নয়। থাকছে আরও নানা ধরনের খাবারের বিপুল সম্ভার। দেশি বিদেশি পর্যটকরা পছন্দ মত খাবার বেছে নেওয়ার অনেক সুযোগ পাবেন।

২টি এমন তাঁবুর শহর সরকার তৈরি করছে বেসরকারি সংস্থার সঙ্গে হাত মিলিয়ে। ২টি এমন তাঁবুর শহর আপাতত তৈরি হচ্ছে। একটি ব্রহ্মকুণ্ড-এ। অন্যটি রাম কথা পার্ক-এ।

ব্রহ্মকুণ্ড-এর তাঁবুর শহরটি গত ১ ডিসেম্বর থেকেই চালু হয়েছে। এখনও সাজানোর কাজ চলছে। ২২ জানুয়ারি রাম মন্দিরের উদ্বোধন হচ্ছে। তার আগে দেশ ও বিদেশ থেকে বহু মানুষ অযোধ্যায় হাজির হবেন বলে মনে করা হচ্ছে। তাঁদের থাকার জন্য এই ২ তাঁবুর শহর এক দারুণ অভিজ্ঞতাও হতে চলেছে। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা

Show Full Article

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button