Kolkata

রাস্তার খাবারের দোকান থেকে ছোট রেস্তোরাঁয় খাবারের দাম বাড়ছে, বন্ধ হয়েছে কয়েকটি দোকান

কলকাতার রাস্তায় খাবার দোকানের অভাব নেই। সেসব অনেক দোকানই খাবারের দাম বাড়িয়েছে। বেশ কয়েকটি দোকান বন্ধও হয়েছে।

সারাদিনের ব্যস্ততার মাঝে রাস্তার ধারের খাবার দোকান থেকে খাবার কিনে খান অনেকেই। পেটও ভরে, আবার দোকানের মত অত দামও দিতে হয়না। ধর্মতলা চত্বর থেকে ডেকার্স লেন, বিবাদী বাগের রাস্তার ধারের খাবার দোকানের সারি হোক বা শিয়ালদার খাবারের দোকান, রাস্তার ধারে দাঁড়িয়ে অনেকেই চাউমিন থেকে ফ্রায়েড রাইস চিলি চিকেন অথবা পাউরুটি ঘুগনি থেকে ইডলি, ধোসা এবং এমন নানা খাবার খেয়ে পেট ভরান।

এসব দোকানগুলি ক্রমে দাম বাড়াচ্ছে খাবারের। কতক বাধ্য হয়েই। পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি ভারতে এলপিজি গ্যাস নিয়ে কিছুটা চিন্তার জন্ম দিয়েছে। সরকারের তরফে সবরকম আশ্বাস দেওয়া হলেও সেই সঙ্গে বাণিজ্যিক নীল সিলিন্ডার সরবরাহের ওপর বেশ কিছু বিধিনিষেধ চেপেছে।

স্কুল ও হাসপাতাল বাদ দিয়ে অন্যত্র এই ১৯ কেজির সিলিন্ডার পাঠানো নিয়ে কড়াকড়ি হয়েছে। ফলে অনেক রাস্তার ধারের দোকান এবং ছোট রেস্তোরাঁ সিলিন্ডার পাবে কিনা তা নিয়ে চিন্তায় পড়েছে।

যে গ্যাস রয়েছে তা দিয়ে রান্না পরিবেশন করতে গিয়ে তারা দাম বাড়ানোর পথে হেঁটেছে। এমনকি অনেক ছোট দোকান বা রাস্তার ধারের দোকান ইতিমধ্যেই কিছুদিনের জন্য দোকান বন্ধ করেছে।

অনেক দোকান ইতিমধ্যেই পুরনো পদ্ধতিতে ফিরে যাওয়া নিয়েও চিন্তাভাবনা শুরু করেছে। একসময় উনুনে কয়লা, গুল, ঘুঁটে দিয়ে রান্নার কাজ হত। সেই পদ্ধতি ফিরিয়ে দোকান সচল রাখার কথা ভাবছেন অনেক দোকানি।

কিন্তু সে পদ্ধতিতে এতদিনের অভ্যাসের পর রান্না মুশকিল যে সেটাও মেনে নিচ্ছেন তাঁরা। সব চিন্তার প্রভাব গিয়ে পড়ছে দামে। যে খাবার কিছুদিন আগেও কম দামে বিক্রি হচ্ছিল, তা এখন বেড়ে গেছে।

এ তো কলকাতার রাস্তার ধারের বা ছোট দোকানের পরিস্থিতি। এমনকি বড় বড় রেস্তোরাঁগুলিকেও পদ পরিবর্তন করে কম জ্বালানিতে তৈরি করা যায় এমন পদে সীমাবদ্ধ থাকার পরামর্শ দিচ্ছে তাদেরই সংগঠন।

Show Full Article

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *