‘নরনারীর স্পর্শের শ্রেষ্ঠতম পবিত্রতা ও নিষ্কলুষ আনন্দানুভূতির আধার চুম্বন। সংখ্যাধিক দুঃখ দরিদ্রতার মধ্যে চুম্বন একটি টনিক বিশেষ।’ এ কথা ‘পরাগ’-এর। সাহিত্য, শিল্প, চলচ্চিত্র, গল্প ও উপন্যাসে মানুষ চুম্বন চায়।
সেকালের মাসিক পরাগ পত্রিকায় আরও লেখা হয়েছে, ”চাষী লাঙ্গল কাঁধে কাদাজল ঠেলে রৌদ্র বৃষ্টি সমস্ত দিন সহ্য করে সন্ধ্যাবেলায় যখন তার কুঠীরে ফিরে আসে তখন পল্লীবালা চাষীবধূর একটা গাঢ় তপ্ত চুম্বনেতে তার সমস্ত শ্রম বিলুপ্ত হয়ে যায়। তাই বলছিলাম চুম্বনের প্রয়োজন আছে বই কি – পৃথিবীর মরুপথে চলতে তৃষ্ণার্ত্ত মানবের সঙ্গে প্রিয়তমার চুম্বন একটি সুন্দর ঝরণা বিশেষ।”
এ দেশের কামশাস্ত্র অনেক আগেই আমাদের জানিয়ে দিয়েছিল, চুম্বনকলা শিক্ষাসাপেক্ষ। বলেছিল, এর প্রয়োজনীয়তা যৌন জীবনে অপরিহার্য। নারী পুরুষের মনস্তত্ত্বের সঙ্গেও রয়েছে চুম্বনের অচ্ছেদ্য বন্ধন।