Health

হাইপারটেনশন থেকে দূরে থাকতে উপকারি ৫টি খাবার

হাইপারটেনশন এখন মানুষের শরীরে বাসা বাঁধছে নিঃশব্দে। এর প্রভাব মানুষকে মৃত্যুর দরজায় পৌঁছে দিতে পারে। হাইপারটেনশন থেকে বাঁচতে ৫টি খাবারের পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞেরা।

কাজের চাপ, সামাজিক জীবনের জটিলতা, নিয়ম ভাঙা জীবন, এখন আবার প্যানডেমিক, এমন নানা কারণে স্ট্রেস বাড়ছে। আর স্ট্রেস থেকে বাড়ছে রক্তচাপ। রক্তচাপ আবার হাইপারটেনশনের জন্ম দিচ্ছে শরীরে। যা কবে শরীরে বাসা বাঁধল বোঝা দায়। তবে তা নিঃশব্দে একজনকে পৌঁছে দিতে পারে মৃত্যুর দরজায়। হতে পারে হার্ট অ্যাটাক।

এই নিঃশব্দ হত্যাকারী থেকে নিজেকে দূরে রাখতে দরকার সঠিক খাবারের। এমন বেশ কিছু খাবার রয়েছে যাতে রয়েছে ওষধি গুণ। যা হাইপারটেনশনকে দূরে রাখতে সাহায্য করে।

বেঙ্গালুরুর অ্যাপোলো হাসপাতালের ডায়াটেশিয়ান শরণ্যা শাস্ত্রী এমনই ৫টি খাবারের কথা জানিয়েছেন যা খাদ্য তালিকায় রাখলে হাইপারটেনশন থেকে দূরে থাকা যায়।

শাস্ত্রী জানিয়েছেন, এই ৫টির মধ্যে একটি হল বেদানা। যা এক বাটি খেতে ভালই লাগে। আর তা প্রাত্যহিক ডায়েটে রাখলে হাইপারটেনশন থেকেও দূরে থাকা যায়।


৫টির মধ্যে অন্য ফলটি হল কালোজাম। কালোজাম ব্লাড সুগার ও কোলেস্টেরল কমাতে দারুণ কার্যকরি। এতে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম থাকে। যা হাইপারটেনশনের বিরুদ্ধে কাজ করে। শরীরের পেশির জন্যও কালোজাম উপকারি।

৫টির মধ্যে আরও একটি খাবার হল রসুন। রসুনে থাকে এলিসিন নামে একটি উপাদান। যা নানা রোগ থেকে মানুষকে দূরে রাখে।

রসুনের ওষধি গুণ মানুষকে নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখে না। রসুন থেঁতো করে বা কুচি করে খাওয়া যেতে পারে। যাঁদের হাইপারটেনশন আছে তাঁদের দৈনন্দিন রান্নায় রসুনের ব্যবহার থাকা ভাল।

অন্য একটি খাবার হল বীট। মেরুন রং যুক্ত বীট স্যালাড বা তরকারিতে স্বাদ বাড়ায়। আর বীটে রয়েছে নাইট্রেট। যা হজম প্রক্রিয়া চলাকালীন নাইট্রিক অক্সাইড তৈরি করে। বীটের রস এক গ্লাস খেলে তা ব্লাড প্রেশার খুব দ্রুত নামাতে পারে। এছাড়া তরকারিতে বীট খেতেও ভাল, উপকারিও।

৫টির মধ্যে সর্বশেষ খাবারটি হল মেথি। মেথি পাতা হোক বা মশলার দানা হিসাবে, মেথি ব্লাড প্রেশার কমাতে দারুণ উপকারি। যা আখেরে হাইপারটেনশনকেই দূরে রাখে।

হাইপারটেনশন ভয়ংকর হয়ে ওঠে রক্তচাপ বাড়লে। তাই রক্তচাপকে নিয়ন্ত্রণে রাখার খাবার সব সময় হাইপারটেনশনের পক্ষে উপকারি। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা

Show Full Article
Back to top button