এ ফল খাওয়া মদ্যপানের সমান, মানুষের মতই ওরা একসঙ্গে ভাগ করে নেয় সেই ফল

এমন এক ফল যা খাওয়া মানে তার ফল হবে মদ্যপানের মত। সেই ফলই ওরা একসঙ্গে ভাগ করে নিল নিজেদের মধ্যে। কারা এটা অবাক করতে পারে।

ট্রেকুলিয়া আফ্রিকানা, ছবি – সৌজন্যে – ফ্লিকার – @Scamperdale

ওরা এই ফল পেয়ে আনন্দে আত্মহারা। তারপর নিজেরা একসঙ্গে হয়ে নিজেদের মধ্যে ভাগ করে খাওয়া শুরু করল কিছুটা মজে যাওয়া এই ফল। কারণ এই মজে যাওয়া ফলটি খাওয়া আর মদ্যপান করার মধ্যে খুব একটা ফারাক নেই।

এই ফল খাওয়া মানে মদ্যপানে মেতে ওঠা। তাহলে কি ওরা নিজেদের মধ্যে সামাজিক বন্ধন দৃঢ় করতে নিজেদের মধ্যে এই ফল ভাগ করে নেয়? সেটা পরিস্কার নয়। তবে আফ্রিকার গিনি-বিসাউ নামে দেশের একটি জঙ্গলে একটি ছবি ক্যামেরাবন্দি হয়েছে।‌

সেই ছবি দেখার পর বিজ্ঞানীরা বোঝার চেষ্টা করছেন শিম্পাঞ্জিরা এই ফল একসঙ্গে বসে খাচ্ছে কেন? যেখানে তাদের স্বাভাবিক স্বভাব হল তারা খাবার ভাগ করে নিতে পছন্দ করেনা।

শিম্পাঞ্জিদের মজে যাওয়া আফ্রিকান ব্রেডফ্রুট নামে ফলটি খেতে দেখা গেছে। এ নিয়ে গবেষণা করেন বিজ্ঞানীরা। দেখা যায় এই ফলের অ্যালকোহল প্রভাব যথেষ্ট তীব্র। মদ্যপানের সমান। যা বেশ আয়েশ করেই খেতে দেখা যায় শিম্পাঞ্জিদের।

ফলের রসে মত্ত শিম্পাঞ্জিরা, ছবি – সৌজন্যে – এক্স – @ViralBased

এই ফল শক্তিবর্ধক হিসাবেই খাওয়া যায়। কিন্তু শিম্পাঞ্জিরা এটাই খেতে কেন ব্যস্ত এবং তারা একসঙ্গে নিজেদের মধ্যে ভাগ করে কেন এই ফল খেতে ব্যস্ত সেটা বোঝার চেষ্টা করছেন বিজ্ঞানীরা।

শুধু তাই নয়, তাঁরা মনে করছেন এই বিষয়টি একদম পরিস্কার হলে শিম্পাঞ্জির দীর্ঘসময় ধরে ক্রমবিন্যাসটাও স্পষ্ট হবে। বিশ্বের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে এই খবরটি সাড়া ফেলে দিয়েছে।