জঙ্গল চাইলেই বৃষ্টিতে ভিজতে পারে, প্রকৃতির ম্যাজিক
চাইলেই কি বৃষ্টি পাওয়া যায়। এখন কৃত্রিমভাবে বৃষ্টি ঝরানোর চেষ্টা হলেও প্রকৃতি অনেক আগেই এ বিদ্যা রপ্ত করেছে। জঙ্গল চাইলে তাই বৃষ্টিতে ভিজতে পারে।
বৃষ্টি যদি চাইলেই পাওয়া যেত তাহলে পৃথিবীর অনেক জায়গা খরার কবলে পড়ত না। অনেক জমি নষ্ট হয়ে যেত না। মানুষ খাদ্যাভাবে কষ্ট পেত না। বিজ্ঞান চাইলেই যদি বৃষ্টি ঝরাতে পারত তাহলে পৃথিবী আরও সবুজ হতে পারত। কিন্তু তা তো সম্ভব নয়। চাইলেই বৃষ্টি তো ঝরানো যাবেনা।
এআই-এর মত উন্নততর প্রযুক্তিতে হাত পাকানো মানুষ কিন্তু আজও বৃষ্টির জন্য অপেক্ষায় থাকে। মানুষ থাকলেও জঙ্গল থাকেনা। জঙ্গল চাইলে বৃষ্টি ঝরাতে পারে। অ্যামাজনের জঙ্গলে তো দেখা গেছে সেখানকার গাছেরাই সেখানে বৃষ্টির ব্যবস্থা করে। ঘন জঙ্গল কিন্তু বৃষ্টি তৈরি করতে পারে।
গাছ যেমন বাতাসে প্রচুর জলীয় বাষ্প ছাড়ে তেমনই ছাড়ে মাটি। গাছে ভরা জঙ্গলের মাটি প্রচুর পরিমাণে জলীয় বাষ্প ছাড়তে পারে। যা স্থানীয়ভাবে আকাশে পৌঁছে মেঘের সঞ্চার করে। তারপর সেই মেঘ থেকে বৃষ্টি নামে।
এ এক বহু পুরনো প্রক্রিয়া। জঙ্গল তাই নিজেই নিজের বৃষ্টির ব্যবস্থা করে নেয়। এজন্য তাকে কোনও মরসুমের দিকে চেয়ে থাকতে হয়না। একে বিজ্ঞানের ভাষায় বলা হয় বায়োটিক পাম্প থিওরি।
অ্যামাজনের রেনফরেস্টে তো বর্ষাও শুরু করা স্থির করে জঙ্গল নিজে। কঙ্গোর জঙ্গলেও দেখা যায় জঙ্গলই বৃষ্টি ঝরায়। অ্যামাজন হোক বা কঙ্গোর জঙ্গল, সবই অতি ঘন জঙ্গলের তালিকায় পড়ে। এখানে গাছ গুনে শেষ হয়না। সেই গাছের রাজত্বে গাছেরাই স্থির করে কখন বৃষ্টি চাই। মানুষ এক্ষেত্রে এখনও অনেকটা পিছিয়ে।













