State

ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের কোথায় কেমন ক্ষয়ক্ষতির সম্ভাবনা, জানাল আবহাওয়া দফতর

ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের প্রভাবে এ রাজ্যে কতটা ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে তা জানাল আবহাওয়া দফতর। সিত্রাং আসার আগেই বহু মানুষকে বাড়ি থেকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হল।

ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং প্রবল শক্তি নিয়ে ধেয়ে আসছে। তার প্রভাবে ইতিমধ্যেই পশ্চিমবঙ্গের উপকূলীয় এলাকায় ঝড় ও বৃষ্টি শুরু হয়েছে। বৃষ্টি ও দমকা হাওয়া বইছে কলকাতাতেও। সিত্রাংয়ের প্রভাবে কেমন ক্ষয়ক্ষতির সম্ভাবনা সে সম্বন্ধে জানাল আবহাওয়া দফতর।

আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, সিত্রাংয়ের প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়তে চলেছে সুন্দরবনে। সেখানে কাঁচা বাড়ি ভেঙে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ঝড়ের প্রভাবে কিছু ক্ষয়ক্ষতি সেখানে হবে। উপকূলীয় এলাকাতেও এই ঝড়ের প্রভাবে সামান্য ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে।

তবে সিত্রাংয়ের প্রভাবে বেশি ক্ষয়ক্ষতির সম্ভাবনা এ রাজ্যে তেমন নেই। যেহেতু ঝড়টি আছড়ে পড়ার কথা বাংলাদেশে তাই ঝড়ের ঝাপটা এ রাজ্যকে ভোগ করতে হবে।

কলকাতার মানুষজনকে আবহাওয়া দফতরের তরফে আশ্বস্ত করে জানানো হয়েছে সিত্রাং এ শহরে তেমন প্রভাব ফেলবে না। তবে মেঘে ঢাকা আকাশ, দমকা হাওয়ার দাপট ও হাল্কা থেকে মাঝারি বৃষ্টি সহ্য করতে হবে। যা অবশ্যই কালীপুজোর দিনটা মাটি করছে।

সিত্রাংয়ের জেরে উপকূলীয় এলাকার পর্যটনকেন্দ্রগুলিতে সেই ভিড় নেই। দিঘার সমুদ্রে কাউকে নামতে দেওয়া হচ্ছেনা। তবে ঝড়ে উত্তাল সমুদ্র দেখতে দিঘায় উপস্থিত পর্যটকরা ভিড় জমাচ্ছেন সমুদ্রের ধারে।

তবে দিঘা ছেড়ে অনেক পর্যটক ঝড় এড়াতে সোমবার ছুটি মাঝপথে ছেঁটে ফিরে আসছেন বাড়িতে। বকখালির মত পর্যটনকেন্দ্র কালীপুজো, দীপাবলির দিনও ফাঁকা খাঁখাঁ করছে। হোটেল, দোকান ফাঁকা। একই অবস্থা রাজ্যের অন্যান্য সমুদ্র তীরের পর্যটনকেন্দ্রগুলিতেও।

Show More

News Desk

নীলকণ্ঠে যে খবর প্রতিদিন পরিবেশন করা হচ্ছে তা একটি সম্মিলিত কর্মযজ্ঞ। পাঠক পাঠিকার কাছে সঠিক ও তথ্যপূর্ণ খবর পৌঁছে দেওয়ার দায়বদ্ধতা থেকে নীলকণ্ঠের একাধিক বিভাগ প্রতিনিয়ত কাজ করে চলেছে। সাংবাদিকরা খবর সংগ্রহ করছেন। সেই খবর নিউজ ডেস্কে কর্মরতরা ভাষা দিয়ে সাজিয়ে দিচ্ছেন। খবরটিকে সুপাঠ্য করে তুলছেন তাঁরা। রাস্তায় ঘুরে স্পট থেকে ছবি তুলে আনছেন চিত্রগ্রাহকরা। সেই ছবি প্রাসঙ্গিক খবরের সঙ্গে ব্যবহার হচ্ছে। যা নিখুঁতভাবে পরিবেশিত হচ্ছে ফোটো এডিটিং বিভাগে কর্মরত ফোটো এডিটরদের পরিশ্রমের মধ্যে দিয়ে। নীলকণ্ঠ.in-এর খবর, আর্টিকেল ও ছবি সংস্থার প্রধান সম্পাদক কামাখ্যাপ্রসাদ লাহার দ্বারা নিখুঁত ভাবে যাচাই করবার পরই প্রকাশিত হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button