পড়শিকে শায়েস্তা করতে স্পিকারে ভূতের গল্প, আজব কাণ্ড লাগোয়া ঘরের বাসিন্দার
প্রতিবেশির সঙ্গে ঝগড়া। তাই প্রতিবেশিকে শায়েস্তা করতে হবে। সেজন্য যে ভূতের গল্প একটা পথ হতে পারে তা বোধহয় সহজে মাথায় আসা মুশকিল।
প্রতিবেশির সঙ্গে তাঁদের ঝগড়া। পাশাপাশি ঘরে বাস। কিন্তু ২ ঘরের বাসিন্দা কেউ কাউকে পছন্দ করেননা। যে ঘরে এক যুবক যুবতীর বাস তাঁরা পাশের ঘরের প্রতিবেশিকে শায়েস্তা করতে এক আশ্চর্য ভাবনার আশ্রয় নেন। লাউডস্পিকার এনে বসিয়ে দেন দেওয়ালের ঠিক গায়ে।
যে দেওয়ালের উল্টো পারে প্রতিবেশির ঘর। এবার সেই লাউডস্পিকারে চালু করে দেন ভূতের গল্প। ভূতের গল্পগুলি জোরে চলতে থাকে লাউডস্পিকারে। দিনে ১০ ঘণ্টা নিয়ম করে চলতে থাকে এই ভূতের গল্প।
ভূতের গল্পে ওই প্রতিবেশি ভয় পেয়েছিলেন কিনা জানা নেই, তবে আওয়াজের চোটে তাঁর প্রাণ ওষ্ঠাগত হয়ে পড়ে। এদিকে ওই আওয়াজ যে কেবল প্রতিবেশিকে টিকতে দিচ্ছিল না তা নয়, বাড়ির বিভিন্ন তলায় যে বাসিন্দারা থাকেন তাঁদেরও অসুবিধার কারণ হচ্ছিল।
অগত্যা বিষয়টি পুলিশের কাছে যায়। কিন্তু পুলিশ এসে দেখে অসুবিধা হলেও সেই শব্দ নির্ধারিত ডেসিবলের মধ্যেই রয়েছে। ফলে পুলিশের পক্ষেও পদক্ষেপ করা সম্ভব হয়নি।
তবে এতজনের অসুবিধা করে তো এভাবে লাউডস্পিকার চালানো যায়না। ফলে ওই যুবক যুবতীকে ডেকে প্রশাসনের তরফে মানা করে দেওয়া হয় এমনটা না করতে। নাহলে পদক্ষেপ করা হবে বলেও সতর্ক করা হয়।
তাঁরাও আর এভাবে লাউডস্পিকার চালাবেন না বলে জানিয়ে দেন। ঘটনাটি ঘটেছে চিনের গুয়াংঝু শহরে। লাউডস্পিকারে ভূতের গল্প শুনিয়েও যে প্রতিবেশির সঙ্গে ঝগড়ার প্রতিশোধ নেওয়া যায় সেটাই এখন এই কাহিনির মুখ্য আলোচ্য হয়ে উঠেছে। ঘটনাটি সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।













