Business

দেশে বেঁধে রেখেও নিস্তার নেই, বেড়েই চলেছে আটার দাম

দেশের সীমানার মধ্যে বেঁধে রেখেও কাজের কাজ কিছুই তেমন হচ্ছেনা। আটার দাম বেড়েই চলেছে। অনেক চেষ্টা করেও তাতে লাগাম দেওয়া যাচ্ছেনা।

আটার দাম লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। আর তাতে লাগাম দেওয়াও সম্ভব হচ্ছেনা। সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনে প্রয়োজনীয় অধিকাংশ জিনিসের দামই আকাশছোঁয়া।

গত ১ বছরে হুহু করে বেড়েছে দাম। চাল ও আটা তো প্রতি পরিবারের অতি আবশ্যক খাদ্য। তার দাম নিয়ন্ত্রণে যাতে থাকে সেজন্য সরকারের ওপরই ভরসা করেন দেশবাসী।

আটার বাড়তে থাকা দামে লাগাম পরাতে গত মে মাসেই বিদেশে গম রফতানি বন্ধ করে দেয় কেন্দ্র। কিন্তু তাতেও আটার দাম রোখা যায়নি। দাম বেড়েই চলেছে।

গমের হোলসেল বাজারে দাম এতটাই বেশি যে তার হাত ধরে আটার বা গম থেকে তৈরি হয় এমন খাদ্যের দাম বেড়ে চলেছে। যার মধ্যে আটা প্রায় প্রতি পরিবারের আবশ্যিক খাদ্য সামগ্রি। গমের দাম ২ হাজার ৬০০ টাকা প্রতি কুইন্টালে গিয়ে ঠেকেছে দিল্লির মান্ডিগুলিতে।

আটার এই দাম বাড়ার কারণ হিসাবে ব্যবসায়ীরা চলতি বছরের অতিরিক্ত গরম ও দীর্ঘদিন ধরে চলা তাপপ্রবাহকে কাঠগড়ায় চাপাচ্ছেন। যার জেরে গমের ফলনই এ বছর আশানুরূপ হয়নি।

তার ফলে গমের দাম তরতর করে বেড়ে চলেছে দেশের বিভিন্ন হোলসেল বাজারে। গমের এই দাম বাড়ার জন্য বিশ্বজুড়েই চলা নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বৃদ্ধি এবং রাশিয়া ও ইউক্রেন থেকে গম রফতানিতে ডামাডোল তৈরি হওয়াকে অনেক বিশেষজ্ঞ দায়ী করছেন।

ভারতে আটার দাম ঠিক কবে ফের নিচের দিকে নামবে তা এখনও নিশ্চিত করে বলতে পারছেন না ব্যবসায়ীরা। তবে এর মধ্যেও একটাই ভাল খবর যে আটার দাম বাড়লেও চালের দাম সামান্য হলেও কমেছে। আর তা নিম্নমুখী। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা

Show More

News Desk

নীলকণ্ঠে যে খবর প্রতিদিন পরিবেশন করা হচ্ছে তা একটি সম্মিলিত কর্মযজ্ঞ। পাঠক পাঠিকার কাছে সঠিক ও তথ্যপূর্ণ খবর পৌঁছে দেওয়ার দায়বদ্ধতা থেকে নীলকণ্ঠের একাধিক বিভাগ প্রতিনিয়ত কাজ করে চলেছে। সাংবাদিকরা খবর সংগ্রহ করছেন। সেই খবর নিউজ ডেস্কে কর্মরতরা ভাষা দিয়ে সাজিয়ে দিচ্ছেন। খবরটিকে সুপাঠ্য করে তুলছেন তাঁরা। রাস্তায় ঘুরে স্পট থেকে ছবি তুলে আনছেন চিত্রগ্রাহকরা। সেই ছবি প্রাসঙ্গিক খবরের সঙ্গে ব্যবহার হচ্ছে। যা নিখুঁতভাবে পরিবেশিত হচ্ছে ফোটো এডিটিং বিভাগে কর্মরত ফোটো এডিটরদের পরিশ্রমের মধ্যে দিয়ে। নীলকণ্ঠ.in-এর খবর, আর্টিকেল ও ছবি সংস্থার প্রধান সম্পাদক কামাখ্যাপ্রসাদ লাহার দ্বারা নিখুঁত ভাবে যাচাই করবার পরই প্রকাশিত হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button