ফুটবল এই দেশের মানুষের শিরা উপশিরা দিয়ে বয়ে যায়। কিন্তু যখন ফুটবল ছিলনা, তখনও এই ভূখণ্ড ছিল। সে ৫০০ বছর আগের কথা। তখন পর্তুগীজরা এ দেশের মাটিতে হাজির হয়েছিল।
সে সময় এ দেশের মাটিতে একটি বিশেষ ধরনের গাছ দেখতে পাওয়া যেত। যার কাঠের রং ছিল লালচে। এতটাই লালচে যে তা দিয়ে অনেক কিছু রং করার কাজ করা হত। লাল রং ব্যবহার হত অন্য কিছু রং করতে।
এই বিশেষ গাছটির কাঠ তো বটেই তার সঙ্গে এখানে প্রচুর গাছ থেকে দামি কাঠ পাওয়া যেত। লাল কাঠের ওই বিশেষ গাছের নামেই এই দেশের নামকরণ হয়েছিল। যা এখন বিশ্বজুড়ে ফুটবল, সাম্বা, অ্যামাজনের গহন অরণ্য আর রিও কার্নিভালের জন্য বিখ্যাত।
যে লাল কাঠের গাছের থেকে এই দেশের নামকরণ সে গাছের নাম পাউ ব্রাজিল। এতক্ষণে তো সকলের কাছেই পরিস্কার যে দেশটার নাম ব্রাজিল। পর্তুগীজদের সময় এই গাছ অত্যন্ত দামি গাছ হিসাবে পরিগণিত হত।
সেই গাছের হাত ধরেই দেশটার নাম হয়ে যায় ব্রাজিল। ব্রাজিল দক্ষিণ আমেরিকায় হলেও সেখানকার লাল কাঠ বহুকাল পর্যন্ত ইউরোপে যেত। ইউরোপ জুড়ে এই কাঠের কদর ছিল প্রশ্নাতীত। কারণ সেখানকার বস্ত্রশিল্পে ওই লাল কাঠ থেকে পাওয়া লাল রং কাজে লাগত।
৫০০ বছর আগে যখন ব্রাজিলের ভূখণ্ডে পর্তুগীজদের পা পড়ে তখন অবশ্য এর নাম ব্রাজিল ছিলনা, ছিল ইলহা দে ভেরা ক্রুজ। পরে ওই লাল কাঠের নাম থেকে এর নাম ব্রাজিল হয়ে যায়।