SciTech

সুদান মৃত! শেষ সাদা পুরুষ গণ্ডারকে হারাল বিশ্ব

পৃথিবীর শেষ সাদা পুরুষ গণ্ডার সুদান থাকত কেনিয়ায়। বছর হয়েছিল ৪৫ বছর। বার্ধক্যজনিত রোগে বেশ কিছুদিন ধরেই ভাল যাচ্ছিলনা তার শরীর। শেষ কয়েকমাস অসুস্থই ছিল সে। অবশেষে সোমবার রাতে ঘুমের মধ্যেই মৃত্যু হল বিশ্বের শেষ সাদা পুরুষ গণ্ডারের। তবে কী সাদা পুরুষ গণ্ডার পৃথিবী থেকে অবলুপ্ত হয়ে গেল? সুদানের মেয়ে ও নাতনি এখনও বেঁচে। বিজ্ঞানীরা চেষ্টা করছেন কোনওভাবে তাদের মাধ্যমে বৈজ্ঞানিক উপায়ে যদি গণ্ডারের এই প্রজাতিকে বাঁচিয়ে রাখা যায়। এর আগে প্রজাতিটিকে রক্ষা করার জন্য সুদানকে চেক প্রজাতন্ত্র থেকে নিয়ে গিয়ে কেনিয়ার মাটিতে বসবাস করার ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়েছিল। বিজ্ঞানীরা আশা করেছিলেন আফ্রিকান আবহাওয়ায় তাদের মিলনে সুবিধা হবে। প্রজাতি রক্ষা করতে তাঁরা সুদানের সঙ্গে ওই প্রজাতির মেয়ে গণ্ডারের মিলন ঘটানোর ব্যবস্থা করেছিলেন।


২০০৯ সালে চেক প্রজাতন্ত্র থেকে সুদান ও তার সঙ্গিনীদের স্থানান্তরিত করা হয়েছিল কেনিয়ায়। কেনিয়ার ওল পেঁজাটা অঞ্চলে সশস্ত্র বাহিনী দিয়ে একটি এলাকাকে ঘিরে এদের সংরক্ষণ করে রাখা হয়েছিল। পরিকল্পনা সঠিক ও যথাযথ হলেও বাস্তবে কিন্তু তাদের মিলন ঘটানো সম্ভব হয়নি। সুদানের মধ্যে মিলনে অনীহা চোখে পড়ে। বাধ্য হয়ে বিজ্ঞানীরা আইভিএফ পদ্ধতির দ্বারস্থ হন। ২০১৭ সালে ব্রিটিশ চিড়িয়াখানা ঘোষণা করে, তারা গণ্ডারের প্রজাতিটিকে বিলুপ্তির পথ থেকে আটকাতে আইভিএফ পদ্ধতির সাহায্য নিয়েছে। এই পদ্ধতি সঠিকভাবে কার্যকরী হলে পৃথিবী থেকে সাদা গণ্ডারের বিলুপ্তি আটকানো হয়ত সম্ভব হবে।



Show More

News Desk

নীলকণ্ঠে যে খবর প্রতিদিন পরিবেশন করা হচ্ছে তা একটি সম্মিলিত কর্মযজ্ঞ। পাঠক পাঠিকার কাছে সঠিক ও তথ্যপূর্ণ খবর পৌঁছে দেওয়ার দায়বদ্ধতা থেকে নীলকণ্ঠের একাধিক বিভাগ প্রতিনিয়ত কাজ করে চলেছে। সাংবাদিকরা খবর সংগ্রহ করছেন। সেই খবর নিউজ ডেস্কে কর্মরতরা ভাষা দিয়ে সাজিয়ে দিচ্ছেন। খবরটিকে সুপাঠ্য করে তুলছেন তাঁরা। রাস্তায় ঘুরে স্পট থেকে ছবি তুলে আনছেন চিত্রগ্রাহকরা। সেই ছবি প্রাসঙ্গিক খবরের সঙ্গে ব্যবহার হচ্ছে। যা নিখুঁতভাবে পরিবেশিত হচ্ছে ফোটো এডিটিং বিভাগে কর্মরত ফোটো এডিটরদের পরিশ্রমের মধ্যে দিয়ে। নীলকণ্ঠ.in-এর খবর, আর্টিকেল ও ছবি সংস্থার প্রধান সম্পাদক কামাখ্যাপ্রসাদ লাহার দ্বারা নিখুঁত ভাবে যাচাই করবার পরই প্রকাশিত হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button