এই প্রকল্প রূপায়িত হলে উপকৃত হবেন ৫ হাজার ৬৫২টি গ্রামের মানুষ। যে গ্রামগুলির অধিকাংশই পড়বে পশ্চিমবঙ্গে। বাকিটা ঝাড়খণ্ডে। এছাড়া অনেকগুলি পর্যটন ক্ষেত্রে পর্যটকদের যাতায়াত অনেক সহজ হয়ে যাবে। অনেক দ্রুত সেখানে পৌঁছতে পারবেন তাঁরা।
যার মধ্যে রয়েছে বোলপুর শান্তিনিকেতন, রামেশ্বর কুণ্ড, নন্দীকেশ্বরী মন্দির, তারাপীঠ, পটচিত্র গ্রাম, ধাদিকা জঙ্গল, ভীমবাঁধ অভয়ারণ্যের মত পর্যটন আকর্ষণ।
এসব জায়গায় পৌঁছনো অনেক সহজ হবে। আবার পণ্যপরিবহনের ক্ষেত্রেও এই প্রকল্প দারুণ উপকারি হতে চলেছে। কয়লা, পাথর, ডলোমাইট, সিমেন্ট, জিপসাম, লৌহ ইস্পাত থেকে খাদ্যশস্য পরিবহণ এই প্রকল্প রূপায়ণে অনেক দ্রুত নিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে।
বীরভূমের সাঁইথিয়া থেকে ঝাড়খণ্ডের পাকুড় এবং সাঁতরাগাছি থেকে খড়গপুর পর্যন্ত এই ২ রুটে রেললাইনে মাল্টি ট্র্যাকিং প্রকল্পে সবুজ সংকেত দিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বাধীন অর্থ বিষয়ক ক্যাবিনেট কমিটি। যে লাইন তৈরি হয়ে গেলে ভারতের রেল মানচিত্রে ১৯২ কিলোমিটার যুক্ত হবে।
এজন্য ৪ হাজার ৪৭৪ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। প্রকল্প রূপায়িত হতে ২০৩০-৩১ হবে বলে মনে করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী গতি শক্তি ন্যাশনাল মাস্টার প্ল্যানের অধীনে এই প্রকল্প রূপায়িত হতে চলেছে। এতে ১ কোটি ৪৭ লক্ষ মানুষ উপকৃত হতে চলেছেন বলে মনে করা হচ্ছে। যার বড় অংশই বাংলার। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা