ভারসাম্য হারাচ্ছে পৃথিবীর জলবায়ু, ঘুম কেড়ে নেওয়া বিষয় সামনে আনল বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা
পৃথিবীর জলবায়ু পরিবর্তনের ওপর কড়া নজর রাখে বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা বা ওয়ার্ল্ড মেটিওরোলজিক্যাল অর্গানাইজেশন বা ডব্লিউএমও। তারাই এবার হাড় হিম করা কথা জানাল।
আবহাওয়ার পরিবর্তন, আবহাওয়ার খামখেয়ালি আচরণ এসব নিয়ে তো আলোচনা চলছেই। কিন্তু এবার আরও ভয়ানক কথা শোনাল বিশ্ব আবহাওয়া বিষয়ক সংস্থা। এমনিতেই প্রবল ঝড়, অতিবৃষ্টি, অতি গরম এক চরমপন্থি আবহাওয়ার মধ্যে এনে ফেলেছে গোটা বিশ্বকে। চেনা ঋতুকেও অচেনা লাগে।
আবহাওয়ার এই দ্রুত পরিবর্তনে লাগাম পরাতেও বেশ কিছু পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। কিন্তু এবার বিশ্ব আবহাওয়া বিষয়ক সংস্থা জানাল পৃথিবীর জলবায়ু ভারসাম্য হারাচ্ছে। আর তা এতটাই দ্রুত হারাচ্ছে যে আবহাওয়ার ইতিহাসে এমনটা দেখা যায়নি।
গ্রিন হাউস গ্যাস জমাট বাঁধছে। আর তার জেরে সমুদ্রের জল ক্রমশ ফুলে উঠছে। হিমবাহের বরফ গলছে অস্বাভাবিক গতিতে। আবহাওয়ার পরিবর্তন এত দ্রুত হচ্ছে এবং এতটা বৃহৎ আকারে হচ্ছে যে পৃথিবীর আবহাওয়া তার ভারসাম্য হারাচ্ছে। আর সেটা বেশ কিছু বিষয় পর্যবেক্ষণের পরই জানাচ্ছে বিশ্ব আবহাওয়া বিষয়ক সংস্থা।
পৃথিবীর উপরিভাগের উষ্ণতা, গ্রিন হাউস গ্যাসের জমাট বাঁধা, সমুদ্রের উষ্ণতা এবং অ্যাসিডের মাত্রা, সমুদ্রের ফেঁপে ওঠা, হিমবাহের গলন এবং কুমেরুর বরফের অবস্থা, এগুলি খতিয়ে দেখে ২০২৫ সালের বিশ্ব আবহাওয়া রিপোর্ট তৈরি করেছে ডব্লিউএমও।
আর তাতে উদ্বেগ প্রকাশ করে সংস্থা জানিয়েছে বিশ্বের জলবায়ু তার ভারসাম্য হারিয়ে ফেলছে। সমুদ্রের জলও কার্বন ডাই অক্সাইড শোষণ বাড়িয়ে দিয়েছে এবং গরম হয়েই চলেছে। ডব্লিউএমও এও জানিয়েছে যে তাদের বিশ্বজুড়ে থাকা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রগুলির ডেটা পরীক্ষা করে দেখা গেছে বিশ্বজুড়ে গ্রিন হাউস গ্যাসের প্রধান ৩টি গ্যাস, কার্বন ডাই অক্সাইড, মিথেন এবং নাইট্রাস অক্সাইড বেড়েই চলেছে। যা কমার কোনও লক্ষণ নেই। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা













