কোথাও ৪০ পার করেও তুষারপাত, কোথাও অসময়ে বৃষ্টি, বাংলায় কি ঠান্ডা বাড়বে
কোথাও তুষারপাত হয়েই চলেছে। পারদ নিচে নামছে। কোথাও আবার অসময়ে অঝোরে বৃষ্টি শুরু হয়েছে। বাংলায় কি হবে। এখানে কি ফের ঠান্ডা ফিরবে। কি বলছে হাওয়া অফিস।
জম্মু কাশ্মীরে ঠান্ডা তো অনেকদিন ধরেই রয়েছে। তবে সেখানে সবচেয়ে ভয়ংকর ঠান্ডার সময় ৪০ দিনের। যাকে স্থানীয়রা চিল্লাই কলন বলে থাকেন। এই চিল্লাই কলনের সময় শুরু হয় ২১ ডিসেম্বর থেকে। শেষ হয় ৩০ জানুয়ারি।
এই ৪০ দিনের সময়কালকে জম্মু কাশ্মীরের মানুষ বছরের অতি ভয়ংকর ঠান্ডার সময় বলে ধরে নেন। সেই চিল্লাই কলন সবে শেষ হয়েছে। তাই এবার তো আবহাওয়ার উন্নতি হওয়ার কথা। উন্নতি হয়েছেও। জম্মু কাশ্মীরে বেলা বাড়লে সামান্য হলেও গরম বেড়েছে। তবে তা সামান্যই।
অন্য সময় কিন্তু অনেক জায়গাতেই তুষারপাত হচ্ছে। পারদ থাকছে মাইনাসের ঘরে। গুলমার্গে সবচেয়ে বেশি ঠান্ডা রেকর্ড করা হয়েছে। সেখানে পারদ নেমে গেছে মাইনাস ৬ ডিগ্রির ঘরে। মাইনাসে রয়েছে শ্রীনগর, পহেলগাম সহ নানা এলাকা।
পশ্চিমী ঝঞ্ঝার হাত ধরে জম্মু কাশ্মীরের পাহাড়ে যখন বরফ পড়ছে তখন সেই পশ্চিমী ঝঞ্ঝা এবং দক্ষিণ পুবালি বাতাস একে অপরের সংস্পর্শে আসায় মধ্যপ্রদেশে অসময়ে বৃষ্টি শুরু হয়েছে। বেশ ঝেঁপে বৃষ্টি হচ্ছে। একটু থামছে তো ফের শুরু হচ্ছে।
এই পরিস্থিতিতে সেখানকার স্বাভাবিক আবহাওয়ার ধরণে পরিবর্তন হয়েছে। এ সময় সেখানে যেমন আবহাওয়া থাকে সেটা নেই। কৃষকদের ফসল সম্বন্ধে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। কারণ এ সময়ের ফসল এমন বৃষ্টি পায়না। ফলে তা নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা থেকে যায়।
জম্মু কাশ্মীর থেকে মধ্যপ্রদেশে যখন এমন আবহাওয়ার অবস্থা তখন বাংলায় তার কি কোনও প্রভাব পড়বে? মাঘের শুরু থেকেই হারিয়ে যাওয়া ঠান্ডা কি ফের মধ্য মাঘে ফেরত আসতে পারে? এ প্রশ্ন অনেকের মনে।
আবহাওয়া দফতর কিন্তু তেমন কোনও কিছু জানাচ্ছে না। বরং আগামী ৭ দিনে রাজ্যের উত্তর দক্ষিণ প্রান্ত মিলিয়েই কোথাও সর্বনিম্ন পারদে ওঠানামা দেখছেন না আবহবিদেরা। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা













