পুণ্যস্নান নয়, সম্পূর্ণ অন্য কারণে বরফ ঠান্ডা জলে ডুব দিলেন ৫ হাজার মানুষ
সামনে মকরসংক্রান্তি। এ সময় পুণ্যস্নান করেন অনেকে। তবে বরফ ঠান্ডা জলে ৫ হাজার মানুষ একসঙ্গে নেমে যে ডুব দিলেন তার কারণ একদম অন্য।
নতুন বছরের শুরুতেও অনেকে নদী বা সাগরে পুণ্যস্নান করে থাকেন। আর মকরসংক্রান্তির সময় তো দেশজুড়েই চলে পুণ্যস্নান। এসব স্নানে যেমন অনেক মানুষ একসঙ্গে কোনও নদী বা সাগরের বিশেষ স্থানে ডুব দেন, ৫ হাজার মানুষের নতুন বছরের শুরুতেই একসঙ্গে বরফ ঠান্ডা জলে স্নান করতে নামাটা ঠিক তেমন ছিলনা। বরং এ পুণ্যস্নান একটু অন্য লক্ষ্যে।
এই স্নানে ছিল শর্ত। ১ মিনিট বরফ ঠান্ডা জলে থাকতে হবে সকলকে। গায়ে কোনও স্নানের বিশেষ পোশাক থাকা চলবে না। যা ঠান্ডা জল থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য পরে থাকেন অনেকে। কার্যত খালি গায়েই নামা। মহিলাদের ক্ষেত্রে সাধারণ সাঁতারের পোশাক। কেউ কেউ বিকিনিতেও জলে নামেন।
শর্ত আরও ছিল। একটি সাইরেন বাজার সঙ্গে সঙ্গে সকলকে একসঙ্গে জলে নেমে পড়তে হবে। দ্রুত এগিয়ে কোমর জলে চলে যেতে হবে। তারপর সেখানে স্নান। ১ মিনিট ওই বরফ শীতল জলে থাকতেই হবে। আগে ওঠা যাবেনা। ১ মিনিট পর সাইরেন বাজার সঙ্গে সঙ্গে জল থেকে উঠে আসতে হবে সকলকে।
এই সব শর্ত মেনে ওয়াশিংটনের বার্চ বে-তে বরফ জলে নেমে পড়েন ৫ হাজার মানুষ। যদিও সঠিক সংখ্যাটা এখনও পরিস্কার নয়। তার চেয়ে কিছু বেশিও হতে পারে। এঁরা সকলেই ওই ঠান্ডা জলে নামতে রাজি হন একটা রেকর্ড গড়ার লক্ষ্যে।
এমন বরফ জলে নামাটা পোলার বেয়ার ডিপ নামে পরিচিত। নরওয়েতে ৩ হাজারের কিছু বেশি মানুষ একসঙ্গে এই পোলার বেয়ার ডিপ-এ অংশ নেন। সেটাই ছিল এতদিন রেকর্ড। এবার সেই রেকর্ড গেল ভেঙে।
২০২৬ সালের প্রথমে ওয়াশিংটনের বার্চ বে-তে এই ৫ হাজার নারী পুরুষের একসঙ্গে বরফ জলে নেমে পড়া এবং সেখানে ১ মিনিট কাটিয়ে উঠে আসার পর রেকর্ড এখন ওয়াশিংটনের হাতে।













