এআই কাজে লাগিয়ে ভূতের উপন্যাস লেখার অভিযোগ, বই প্রকাশ বন্ধ করল প্রকাশনা
ইতিহাসে এই প্রথম কোনও লেখকের বিরুদ্ধে এআই কাজে লাগিয়ে বই লেখার অভিযোগে প্রকাশনা সংস্থা সে বই প্রকাশ করা বন্ধ করে দিল।
কৃত্রিম মেধা বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা এআই কাজে লাগিয়ে এখন মানুষ অনেক কাজ সহজে করার চেষ্টা করেন। তা বলে বই লেখা! এবার সে কাজটাও নাকি এক লেখিকা সেরে ফেলেছেন।
তাঁর লেখা একটি ভূতের গল্পের উপন্যাস তিনি এআই কাজে লাগিয়ে লিখেছেন বলে সমালোচনার ঝড় ওঠে। একজন লেখক সর্বদাই সৃজনশীল। তাঁর কল্পনাশক্তি কাজে লাগিয়ে তিনি মানুষের মনের মত কাহিনি রচনা করে পাঠক পাঠিকার হৃদয় ছুঁয়ে ফেলেন। যা পুরোপুরি তাঁর মেধার জোরে সম্ভব হয়।
সেক্ষেত্রে যদি কোনও উপন্যাস কোনও লেখক এআই কাজে লাগিয়ে লেখেন তাহলে তা পাঠককুল মেনে নিতে পারবেননা এটাই তো স্বাভাবিক। শাই গার্ল নামে ওই বইটি গত নভেম্বরেই ব্রিটেনের জন্য প্রকাশ পেয়েছিল।
এবার সেটা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রকাশিত হওয়ার কথা ছিল। মার্কিন লেখিকা মিয়া বালার্ডের শাই গার্ল প্রকাশ হচ্ছেনা বলে জানিয়ে দিল প্রকাশনা সংস্থা আসেত।
সংস্থার তরফে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে তাদের সংস্থা নিজস্ব সৃজনশীল আত্মপ্রকাশের মধ্যে দিয়ে সৃষ্ট কাহিনির স্বকীয়তা রক্ষায় অঙ্গীকারবদ্ধ। তাই এই বইটি তারা আর প্রকাশ করছেনা। ফলে বইটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আর প্রকাশিত হচ্ছেনা।
নিউ ইয়র্ক টাইমস পত্রিকা এই এআই বিতর্ক সামনে আনার পর লেখিকা অবশ্য দাবি করেছেন এ বিষয়ে তাঁর কিছু জানা নেই। তিনি এআই ব্যবহার করে লেখেননি। পৃথিবীর ইতিহাসে এই প্রথম কোনও লেখকের বিরুদ্ধে এআই কাজে লাগিয়ে উপন্যাস লেখার অভিযোগ সামনে এল।













