২০০০ বছর পুরনো কয়েন দিয়ে বাস ভাড়া, সত্য জানা গেলেও রহস্যটা থেকে গেল
বাস ভাড়া হিসাবে দেওয়া হয়েছিল একটি কয়েন। কিন্তু সে কয়েন যে কোনও সাধারণ কয়েন নয় তা জানা গেল ৭০ বছর পর। তবে একটা রহস্য থেকেই গেল।
১৯৫০ সাল দিয়েই শুরু করা যাক। সে সময় বাসে ভাড়া দেওয়ার জন্য এক ব্যক্তি কয়েন বার করেন। সেই কয়েন দিয়ে টিকিটও কাটেন। বাস কন্ডাক্টরের হাতে আসা সেই কয়েন জমা পড়ে বাস সংস্থার অফিসে।
সেখানে এক ব্যক্তি দিনের শেষে সব কয়েন গুনে রাখতেন। এমনকি যেসব কয়েন অচল বা ভিনদেশি বা অচেনা সেগুলিকে তিনি আলাদা করে রাখতেন।
ভাড়া বাবদ দেওয়া সেই কয়েনটিও তাঁর অচেনা লাগে। ফলে তিনি সেটি আলাদা করে দেন। সেই সময় তাঁর নাতি আসে তাঁর কাছে। নাতিকে ওই কয়েনটি দিয়ে দেন ওই ব্যক্তি। এরপর কেটে গেছে বহু বছর।
৭০ বছরেরও পর তাঁর কাছে থাকা বিভিন্ন কয়েনের মধ্যে যেগুলি নিয়ে তাঁর কৌতূহল হয় সেগুলি তিনি পরীক্ষা করে দেখেন। আর তাতেই জানা যায় সেই ১৯৫০ সালে বাস ভাড়া হিসাবে দেওয়া কয়েনটির পরিচয়।
ঘটনাটি ইংল্যান্ডের লিডস শহরের। ওই ব্যক্তি পরীক্ষার পর জানতে পারেন তাঁর ঠাকুরদা তাঁকে যে কয়েনটি উপহার দিয়েছিলেন তা আসলে স্পেনের প্রাচীন ফিনিসিয়ান কয়েন। যার ঐতিহাসিক গুরুত্ব অপরিসীম।
নাতিকে অচল পয়সা ভেবে যে কয়েন সে সময় ওই পরিবহণ বিভাগের কর্মী দিয়েছিলেন তার আসল পরিচয় জানার পর সেটির এখন জায়গা হয়েছে মিউজিয়ামে। কিন্তু এখনও একটা বিষয় পরিস্কার হয়নি কারও কাছে। সেটা রহস্যই রয়ে গেল।
কেউই এই রহস্যের কিনারা করতে পারেননি যে কয়েনটি এতটা পথ পাড়ি দিলই কীভাবে? নিছক বাস ভাড়া হিসাবে সেই কয়েন কে ব্যবহার করলেন? তিনিই বা সেই কয়েনটি পেলেন কার কাছ থেকে? প্রশ্নগুলো থেকেই গেল। খবরটি বিশ্বের অনেকগুলি সংবাদমাধ্যমে জায়গা করে নিয়েছে।













