World

কনের বাবা কোথায়, বিয়ের দিন পুলিশ এল অনুষ্ঠানে, স্তব্ধ অতিথিরা, উত্তেজিত কনে

বিয়ের অনুষ্ঠানে অতিথিদের সামনে যদি পুলিশ এসে কনের বাবার খোঁজ করে তাহলে যা হওয়ার সেটাই হল। হতবাক হয়ে যান অতিথিরা। কনে কষ্টে রাগে জ্বলে ওঠেন।

তাঁর বিয়ের দিনে নয়। এটাই ছিল কনের একমাত্র প্রতিক্রিয়া। তিনি রেগে আগুন হয়ে একটি পদাঘাতও করে বসেন। কিন্তু হয়েছিলটা কি! বিয়ের দিন। বিয়েটা একটা হোটেলের ব্যাঙ্কোয়েটে হচ্ছিল। উপস্থিত ছিলেন বর ও কন্যাপক্ষের অতিথিরা।

নিমন্ত্রিতদের যাতে কোনও অসুবিধা না হয় সেদিকে নজর রাখা হয়েছিল। বিয়ের জায়গাটি অপরূপ সাজে সাজিয়ে তোলা হয়েছিল। বিয়ে বলে কথা! একটা সুন্দর আবহ তৈরি না হলে চলে!

বিয়ে হয়। বরকনে খুশি। খুশি ২ পরিবার থেকে আত্মীয়, পরিজন, বন্ধুরা। এমন এক সুমধুর সুন্দর সময়ে আচমকা সেখানে হাজির হন ২ জন পুলিশ আধিকারিক। তাঁরা সেই বিয়ের অনুষ্ঠানে প্রবেশ করা মাত্র তাঁদের দেখে হতবাক হয়ে যান অতিথিরা।

এদিকে তাঁর বিয়েতে পুলিশের আগমন মেনে নিতে পারেননি কনেও। তিনি রেগে যান। বলে ওঠেন তাঁর বিয়ের দিনে কেন? তিনি রেগে কিছু একটায় পদাঘাতও করে বসেন।

এদিকে ২ পুলিশ আধিকারিক ঢুকেই কনের বাবার খোঁজ করেন। কি করেছেন কনের বাবা? তাঁর খোঁজে কেন পুলিশ এসেছে? নানা কিছু মাথায় ঘুরতে থাকে অতিথিদের। পুরো পরিস্থিতি যায় বদলে। একটা আনন্দ সন্ধ্যা মুহুর্তে বিমর্ষ, স্তব্ধ আবহে বদলে যায়। সকলেই চুপ। কারও মুখে হাসি নেই।

এই পরিস্থিতি অবশ্য বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। কারণ ২ পুলিশ আধিকারিকের ১ জন এরমধ্যেই মাইক হাতে তুলে নেন। তারপর গান ধরেন। প্রেমের গান। ভালবাসার গান। যার তালে ফের অনুষ্ঠানে সকলের মুখ হাসিতে ভরে ওঠে। সকলে নেচেও ওঠেন সেই গানের তালে।

এরপর সবটা পরিস্কার হয় সকলের কাছে। আসলে পুরোটাই ছিল একটা দুষ্টুমি। যা সাজিয়েছিলেন খোদ কনে। ২ গায়ককে পুলিশ সাজিয়ে এভাবে বিয়ের অনুষ্ঠানে এনে সকলকে ঘাবড়ে দেওয়ার বুদ্ধিটা তাঁরই। মজা করার জন্যই পুরোটা সাজানো হয়েছিল। যা জানতেন কেবল তাঁর স্বামী এবং বাবা। ঘটনাটি ঘটেছে ইংল্যান্ডের ডারহাম শহরের একটি হোটেলে।

Show Full Article

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *