তিনি ব্যবসায়ী। অর্থের অভাব তাঁর নেই। শ্বশুর হিসাবে তিনি তাঁর পুত্রবধূর কল্যাণ চান। আর সেজন্য ছেলেকে বলে কাজ না হওয়ায় এবার এক আজব অফার দিলেন তিনি।
সোশ্যাল মিডিয়ায় ফলাও করে তিনি জানান তাঁর ছেলের প্রেমিকাকে যিনি চড় কষাতে পারবেন তাঁকে তিনি ৩০ হাজার ভাট পুরস্কার দেবেন। প্রসঙ্গত থাইল্যান্ডের ওই ব্যবসায়ী থাইল্যান্ডের মুদ্রায় এই অফার দিয়েছেন। যা ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ৮১ হাজার টাকা।
যিনি এই চড় মারতে পারবেন, তাঁকে একটাই শর্ত মানতে হবে। ১টা বা ২টো নয়, কমপক্ষে ১০টা চড় মারতে হবে। সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট সংবাদমাধ্যমে সংবাদটি প্রকাশিত হওয়ার পর বিশ্বের নানা সংবাদমাধ্যমে রীতিমত আলোড়ন ফেলে দেয় খবরটি।
ওই ৬৫ বছর বয়স্ক ব্যবসায়ী দাবি করেছেন, ওই মহিলা যিনি তাঁর ছেলের সঙ্গে এখন প্রেম করছেন, তিনি একসময় ওই ব্যবসায়ীর অফিসে চাকরি করতে আসেন। কিন্তু ক্রমে ওই পরিবারের একজনের সঙ্গে সম্পর্কে জড়ান তিনি।
ওই ব্যবসায়ীর মতে, এটা ছিল একটা সিঁড়ি। যা বেয়ে অবশেষে ওই মহিলা তাঁর ছেলে পর্যন্ত পৌঁছে যান। এখন তাঁর ছেলে ওই মহিলার প্রেমে এতটাই মশগুল যে নিজের স্ত্রী, সন্তানের দিকে তাঁর বিন্দুমাত্র নজর নেই।
ছেলেকে বুঝিয়েছেন বৃদ্ধ। কিন্তু তাতেও কাজ না হওয়ায় মহিলাকে শাস্তি দিতে তিনি এই চড় মারার জন্য পুরস্কার ঘোষণা করেছেন। এমনকি যিনি চড় মারতে পারবেন তাঁকে যদি এই চড় মারার জন্য কোনও আইনি সমস্যায় পড়তে হয় তার সমাধানও দিয়েছেন ব্যবসায়ী। তিনি সেই আইনি জটিলতা মেটানোর খরচও বহন করবেন বলে আশ্বস্ত করেছেন।
যদিও সোশ্যাল মিডিয়া থেকে পরে ওই ব্যবসায়ী তাঁর ওই অফারের কথাটি মুছে দিয়েছেন। কারণ এই অফার আদপে হিংসাকে প্রশ্রয় দেওয়া বলে সমালোচনার ঝড় ওঠে।
পরে ওই ব্যবসায়ী জানান, তিনি তাঁর পোস্টটি মুছে দিয়েছেন কয়েকজনের পরামর্শে। হিংসা নয়, অন্যভাবে এই সমস্যার সমাধানের পথ খোঁজার জন্য তাঁকে কয়েকজন পরামর্শ দিয়েছেন। তাই তিনি তাঁর অফারটি বাতিল করে দিয়েছেন।