ফাইল : আতসবাজি
সমাজকর্মী রোশনি আলির একটি জনস্বার্থ মামলায় কলকাতা হাইকোর্ট রায় দিয়েছিল যে এবার কালীপুজো, দিওয়ালী, ছট পুজোর মত উৎসবে বাজি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ এ রাজ্যে। কোনও ধরনের বাজিই পোড়ানো যাবে না। কেবল মোমবাতি বা প্রদীপের আলো জ্বলতে পারে। বাজি বিক্রি বা দোকান দেওয়াতেও নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছিল।
করোনা পরিস্থিতিতে মানুষের স্বাস্থ্যের প্রসঙ্গ সামনে রেখে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছিল আদালত। কলকাতা হাইকোর্টের সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করেন রাজ্যের বাজি ব্যবসায়ীরা। সেই আবেদনের সোমবার শুনানি হয়।
সেখানে সুপ্রিম কোর্ট কলকাতা হাইকোর্টের রায়কে খারিজ করে দিয়েছে। শীর্ষ আদালত জানিয়েছে বাজি পোড়ানো যেতে পারে। তবে তা হতে হবে পরিবেশ বান্ধব।
যদিও এখন প্রশ্ন উঠছে যে পরিবেশ বান্ধব বাজি আলাদা করে চিহ্নিত করা হবে কীভাবে? তার তো কোনও আলাদা তালিকা নেই।
যে সবুজ বাজির কথা বলা হচ্ছে তাও এখন সহজলভ্য নয়। তাহলে পরিবেশ বান্ধব বাজি বোঝা যাবে কীভাবে? ক্রেতা ও বিক্রেতার কাছে তা সুনির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত হবে কিকরে? এ বিষয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
তবে বাজি বিক্রি করা যাবে শুনে বাজি বিক্রেতারা কিন্তু খুশি। কালীপুজোর আগে মানুষের এখন একটাই প্রশ্ন, বাজি তো তাহলে পাওয়া যাবে কিন্তু কি কি বাজি কেনা যাবে? হয়তো সে প্রশ্নের উত্তরও শীঘ্রই পাওয়া যাবে। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা
জল নিকাশি ব্যবস্থা যাতে ঠিক থাকে তার ব্যবস্থাই করা হচ্ছিল। আর তা করতে গিয়ে পাওয়া…
তিনি অনেক চেষ্টা করেছেন। বার ২০ চেষ্টা করেও মাংস সিদ্ধ হচ্ছেনা। তাই কড়াই ভর্তি আধ…
প্রেম যে অন্ধ হয় তা তো সকলের জানা। সেখানে প্রেমিকের মুখে অন্য মেয়ের প্রশংসা। এটা…
কিটক্যাট অনেকেরই পছন্দের। সেই কিটক্যাট মাঝরাস্তা থেকে উধাও হয়ে গেল। ১টা ২টো নয়, ৪ লক্ষের…
স্থানীয় ভাষায় বলা হয় দণ্ডবৎ যাত্রা। সহজ করে বললে দণ্ডি কাটা। বিবাহবিচ্ছেদের আনন্দ উদযাপন করতে…
মেষ রাশির আজকের দিনটা কেমন কাটতে চলেছে, রাশিফল ও দৈনিক সময়সূচী অনুযায়ী প্ল্যানিং করুন আজ…